চট্টগ্রামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনার ও প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা পৃথক দুটি মামলায় আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। আদালতের নথি অনুযায়ী, উভয় মামলাই বর্তমানে বিচারাধীন এবং আসামির বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আদালতের নথি থেকে জানা যায়, বাদী রনি মিত্র (অরফে এলিক্স রনি) ব্যবসায়িক লেনদেনকে কেন্দ্র করে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন। এর মধ্যে একটি মামলায় অভিযোগ করা হয়, আসামি ব্যবসায়িক সম্পর্কের সূত্র ধরে ১০ লাখ টাকা গ্রহণ করে তা পরিশোধের জন্য একটি চেক প্রদান করেন। পরে চেকটি ব্যাংকে উপস্থাপন করলে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় তা ডিজঅনার হয়। পরবর্তীতে আইন অনুযায়ী লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধ না করায় আদালতে মামলা দায়ের করা হয়।
এ ঘটনায় The Negotiable Instruments Act, 1881-এর ১৩৮ ধারায় মামলা গ্রহণের পর আদালত আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
অপর মামলায় বাদী রনি মিত্র (অরফে এলিক্স রনি) অভিযোগ করেন, ব্যবসায়িক সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে নগদ অর্থ গ্রহণ, লাভের আশ্বাস এবং অর্থ ফেরতের প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরে তা আত্মসাৎ করা হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, একাধিকবার মৌখিকভাবে এবং পরে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েও পাওনা অর্থ আদায় সম্ভব হয়নি। এ অবস্থায় তিনি প্রতারণার অভিযোগে ফৌজদারি মামলা দায়ের করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, অভিযোগের প্রাথমিক উপাদান পর্যালোচনা করে আদালত আসামির বিরুদ্ধে ওই মামলাতেও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
আদালতের নথিতে দুই মামলার অভিযোগপত্র, লিগ্যাল নোটিশ, সাক্ষীদের তালিকা, ব্যাংকসংক্রান্ত কাগজপত্র এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আদেশ সংযুক্ত রয়েছে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
চট্টগ্রামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনার ও প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা পৃথক দুটি মামলায় আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। আদালতের নথি অনুযায়ী, উভয় মামলাই বর্তমানে বিচারাধীন এবং আসামির বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আদালতের নথি থেকে জানা যায়, বাদী রনি মিত্র (অরফে এলিক্স রনি) ব্যবসায়িক লেনদেনকে কেন্দ্র করে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন। এর মধ্যে একটি মামলায় অভিযোগ করা হয়, আসামি ব্যবসায়িক সম্পর্কের সূত্র ধরে ১০ লাখ টাকা গ্রহণ করে তা পরিশোধের জন্য একটি চেক প্রদান করেন। পরে চেকটি ব্যাংকে উপস্থাপন করলে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় তা ডিজঅনার হয়। পরবর্তীতে আইন অনুযায়ী লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধ না করায় আদালতে মামলা দায়ের করা হয়।
এ ঘটনায় The Negotiable Instruments Act, 1881-এর ১৩৮ ধারায় মামলা গ্রহণের পর আদালত আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
অপর মামলায় বাদী রনি মিত্র (অরফে এলিক্স রনি) অভিযোগ করেন, ব্যবসায়িক সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে নগদ অর্থ গ্রহণ, লাভের আশ্বাস এবং অর্থ ফেরতের প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরে তা আত্মসাৎ করা হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, একাধিকবার মৌখিকভাবে এবং পরে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েও পাওনা অর্থ আদায় সম্ভব হয়নি। এ অবস্থায় তিনি প্রতারণার অভিযোগে ফৌজদারি মামলা দায়ের করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, অভিযোগের প্রাথমিক উপাদান পর্যালোচনা করে আদালত আসামির বিরুদ্ধে ওই মামলাতেও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
আদালতের নথিতে দুই মামলার অভিযোগপত্র, লিগ্যাল নোটিশ, সাক্ষীদের তালিকা, ব্যাংকসংক্রান্ত কাগজপত্র এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আদেশ সংযুক্ত রয়েছে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন