বান্দরবানের
রোয়াংছড়িতে জেন্ডারভিত্তিক লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ, মোকাবেলা এবং কমিউনিটি পর্যায়ে
পুলিশ সার্ভিস ডেস্কের সেবা সম্পর্কে এক সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার ৬
জুলাই, ২০২৬জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিলের UNFPA সহযোগিতায় এবং রোয়াংছড়ি থানার উদ্যোগে
উপজেলা পরিষদের মিলনায়তনে এ সভার আয়োজন করা হয়।
রোয়াংছড়ি
থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি হুমায়ূন কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে
উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও তাজমিন আলম তুলি।
অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:
ডা.
এখিং মারমা, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা
মাওসেতুং
তঞ্চঙ্গ্যা, জেলা বিএনপি কমিটির সদস্য
মেহ্লাঅং
মারমা, ১নং রোয়াংছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান
বিশ্বনাথ
তঞ্চঙ্গ্যা, ৩নং আলেক্ষ্যং ইউপি চেয়ারম্যান
সাচিংথুই
মারমা, স্থানীয় সমাজসেবক
শুভ্র
মুকুল চৌধুরী, এসআই রোয়াংছড়ি থানা
হামিদুর
রহমান, এসআই রোয়াংছড়ি থানা
সভায়
বক্তারা বলেন, জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও মোকাবেলায় কমিউনিটি পর্যায়ে পুলিশ
সার্ভিস ডেস্ক অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। এই সেবাটি সমাজের সার্বিক উন্নয়ন,
নিরাপত্তা এবং মানবাধিকার রক্ষার সাথে সরাসরি জড়িত। শারীরিক, মানসিক, যৌন ও অর্থনৈতিক
নির্যাতনসহ বর্তমান যুগের অনলাইন হয়রানির শিকার হচ্ছেন অনেকেই। বিশেষ করে নারী, শিশু,
কিশোরী, প্রতিবন্ধী এবং সমাজের অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী এই সহিংসতার বড় শিকার।
বক্তারা
আরও উল্লেখ করেন, এই পুলিশ ডেস্কের মাধ্যমে ভুক্তভোগীরা সম্পূর্ণ নিরাপদ ও গোপনীয়
পরিবেশে তাদের অভিযোগ জানাতে পারবেন। প্রয়োজনে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সেবাদানকারী
প্রতিষ্ঠানের সাথে সমন্বয় করে ভুক্তভোগীদের আইনি ও মানসিক সহায়তা প্রদান করা হবে।
একটি
নিরাপদ সমাজ গঠনে শুধু পুলিশের একক প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয় মন্তব্য করে অতিথিরা বলেন—
স্কুল, কলেজ, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনের মাধ্যমে নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম
চালাতে হবে। বৈষম্য ও সহিংসতামুক্ত সমাজ গঠনে জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা, যুবসমাজ,
নারী সংগঠন এবং প্রতিটি পরিবারের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। সবাই মিলে সোচ্চার হয়ে ভুক্তভোগীদের
পাশে দাঁড়ালে এবং পুলিশ ডেস্কের সেবা সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করলে একটি নিরাপদ, সমতাভিত্তিক
ও মানবিক সমাজ গড়ে উঠবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন বক্তারা।
উক্ত
সচেতনতামূলক সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, অভিভাবক, সাংবাদিকসহ
বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬
বান্দরবানের
রোয়াংছড়িতে জেন্ডারভিত্তিক লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ, মোকাবেলা এবং কমিউনিটি পর্যায়ে
পুলিশ সার্ভিস ডেস্কের সেবা সম্পর্কে এক সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার ৬
জুলাই, ২০২৬জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিলের UNFPA সহযোগিতায় এবং রোয়াংছড়ি থানার উদ্যোগে
উপজেলা পরিষদের মিলনায়তনে এ সভার আয়োজন করা হয়।
রোয়াংছড়ি
থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি হুমায়ূন কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে
উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও তাজমিন আলম তুলি।
অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:
ডা.
এখিং মারমা, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা
মাওসেতুং
তঞ্চঙ্গ্যা, জেলা বিএনপি কমিটির সদস্য
মেহ্লাঅং
মারমা, ১নং রোয়াংছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান
বিশ্বনাথ
তঞ্চঙ্গ্যা, ৩নং আলেক্ষ্যং ইউপি চেয়ারম্যান
সাচিংথুই
মারমা, স্থানীয় সমাজসেবক
শুভ্র
মুকুল চৌধুরী, এসআই রোয়াংছড়ি থানা
হামিদুর
রহমান, এসআই রোয়াংছড়ি থানা
সভায়
বক্তারা বলেন, জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও মোকাবেলায় কমিউনিটি পর্যায়ে পুলিশ
সার্ভিস ডেস্ক অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। এই সেবাটি সমাজের সার্বিক উন্নয়ন,
নিরাপত্তা এবং মানবাধিকার রক্ষার সাথে সরাসরি জড়িত। শারীরিক, মানসিক, যৌন ও অর্থনৈতিক
নির্যাতনসহ বর্তমান যুগের অনলাইন হয়রানির শিকার হচ্ছেন অনেকেই। বিশেষ করে নারী, শিশু,
কিশোরী, প্রতিবন্ধী এবং সমাজের অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী এই সহিংসতার বড় শিকার।
বক্তারা
আরও উল্লেখ করেন, এই পুলিশ ডেস্কের মাধ্যমে ভুক্তভোগীরা সম্পূর্ণ নিরাপদ ও গোপনীয়
পরিবেশে তাদের অভিযোগ জানাতে পারবেন। প্রয়োজনে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সেবাদানকারী
প্রতিষ্ঠানের সাথে সমন্বয় করে ভুক্তভোগীদের আইনি ও মানসিক সহায়তা প্রদান করা হবে।
একটি
নিরাপদ সমাজ গঠনে শুধু পুলিশের একক প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয় মন্তব্য করে অতিথিরা বলেন—
স্কুল, কলেজ, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনের মাধ্যমে নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম
চালাতে হবে। বৈষম্য ও সহিংসতামুক্ত সমাজ গঠনে জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা, যুবসমাজ,
নারী সংগঠন এবং প্রতিটি পরিবারের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। সবাই মিলে সোচ্চার হয়ে ভুক্তভোগীদের
পাশে দাঁড়ালে এবং পুলিশ ডেস্কের সেবা সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করলে একটি নিরাপদ, সমতাভিত্তিক
ও মানবিক সমাজ গড়ে উঠবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন বক্তারা।
উক্ত
সচেতনতামূলক সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, অভিভাবক, সাংবাদিকসহ
বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন