নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ এলাকায় একটি মাদ্রাসাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ও সড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটেছে। আজ রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে স্থানীয়দের একাংশের এই অবরোধের কারণে প্রায় দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ভোলাইল-দেওভোগ হয়ে ২ নম্বর রেলগেট পর্যন্ত সড়কে সব ধরনের যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে। এতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, দেওভোগে অবস্থিত ‘জামিয়া আরাবিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা’র প্রিন্সিপাল আবু তাহের জিহাদী এবং ম্যানেজিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক হেদায়েতুল্লাহ খোকনসহ বেশ কয়েকজনকে মাদ্রাসার ভেতরে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। দুপুরে এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে তাদের সমর্থকরা লাঠিসোঁটা নিয়ে রাস্তায় নেমে আসেন এবং সড়ক অবরোধ করেন।
অবরোধের কারণে ভোলাইল থেকে ২ নম্বর রেলগেট পর্যন্ত মূল সড়কে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। তীব্র গরমের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ গাড়ি আটকে থাকায় শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও রোগীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। নিরুপায় হয়ে অনেককে তীব্র জটলার মধ্যেই হেঁটে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দিতে দেখা যায়।
ভুক্তভোগী সাধারণ পথচারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন:
"যেকোনো অভ্যন্তরীণ বা প্রাতিষ্ঠানিক সমস্যা আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা উচিত। সামান্য ঘটনাতেই এভাবে সড়ক অবরোধ করে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়।"
অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ও সংঘর্ষের আশঙ্কায় দেওভোগ এলাকার আশপাশের অধিকাংশ দোকানপাট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পুরো এলাকায় বর্তমানে থমথমে পরিস্থিতি ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সাথে কথা বলে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ এলাকায় একটি মাদ্রাসাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ও সড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটেছে। আজ রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে স্থানীয়দের একাংশের এই অবরোধের কারণে প্রায় দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ভোলাইল-দেওভোগ হয়ে ২ নম্বর রেলগেট পর্যন্ত সড়কে সব ধরনের যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে। এতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, দেওভোগে অবস্থিত ‘জামিয়া আরাবিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা’র প্রিন্সিপাল আবু তাহের জিহাদী এবং ম্যানেজিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক হেদায়েতুল্লাহ খোকনসহ বেশ কয়েকজনকে মাদ্রাসার ভেতরে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। দুপুরে এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে তাদের সমর্থকরা লাঠিসোঁটা নিয়ে রাস্তায় নেমে আসেন এবং সড়ক অবরোধ করেন।
অবরোধের কারণে ভোলাইল থেকে ২ নম্বর রেলগেট পর্যন্ত মূল সড়কে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। তীব্র গরমের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ গাড়ি আটকে থাকায় শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও রোগীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। নিরুপায় হয়ে অনেককে তীব্র জটলার মধ্যেই হেঁটে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দিতে দেখা যায়।
ভুক্তভোগী সাধারণ পথচারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন:
"যেকোনো অভ্যন্তরীণ বা প্রাতিষ্ঠানিক সমস্যা আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা উচিত। সামান্য ঘটনাতেই এভাবে সড়ক অবরোধ করে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়।"
অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ও সংঘর্ষের আশঙ্কায় দেওভোগ এলাকার আশপাশের অধিকাংশ দোকানপাট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পুরো এলাকায় বর্তমানে থমথমে পরিস্থিতি ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সাথে কথা বলে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন