নারায়ণগঞ্জের বন্দরে হাতুড়ি ও লাঠিসোটার আঘাতে চাঞ্চল্যকর হোসিয়ারি শ্রমিক আলমগীর হোসেন (৪৫) হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামিসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১। গতকাল ৩ জুলাই (শুক্রবার) রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— মামলার ১ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি মোঃ সোহেব (৪২), পিতা- খলিল মিয়া (সাং- সালেহনগর) এবং ১০ নম্বর আসামি মোঃ সুমন (৩৮), পিতা- বছির (সাং- শাহী মসজিদ)। উভয়ের বাড়ি নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানা এলাকায়।
মামলার এজাহার ও র্যাব সূত্রে জানা যায়, নিহত হোসিয়ারি শ্রমিক আলমগীর হোসেনের ভাতিজা মুন্নার সাথে একই এলাকার জুয়েলের দীর্ঘদিন ধরে টাকা-পয়সা লেনদেন নিয়ে বিরোধ চলছিল। এই বিরোধ মীমাংসার লক্ষ্যে গত বছরের ৩ অক্টোবর (২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ) শুক্রবার সন্ধ্যায় বন্দর থানার সালেহনগরের একটি অটোরিকশা গ্যারেজে এক সালিশ বৈঠক বসে।
সালিশ চলাকালে পাওনা টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে আসামি জুয়েলসহ অন্যান্যরা আলমগীর হোসেনের ওপর চড়াও হয় এবং মারধর করতে করতে রাস্তা বের করে নিয়ে আসে। পরে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী আসামিরা দেশীয় অস্ত্র, লাঠিসোটা ও এসএস পাইপ দিয়ে আলমগীরকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে মাথা ও শরীরে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে।
গুরুতর আহত অবস্থায় আলমগীরকে উদ্ধার করে প্রথমে বন্দর উপজেলা হাসপাতালে এবং পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরের দিন ৪ অক্টোবর (২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ) সকালে তিনি মারা যান।
এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর নিহতের বোন মোছাঃ কল্পনা বেগম বাদী হয়ে বন্দর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনাটি সে সময় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়
র্যাব-১১-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে র্যাবের একটি আভিযানিক দল গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় ৩ জুলাই, ২০২৬ তারিখ রাত সাড়ে ৯টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল এলাকা থেকে এই দুই আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে র্যাবের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে হাতুড়ি ও লাঠিসোটার আঘাতে চাঞ্চল্যকর হোসিয়ারি শ্রমিক আলমগীর হোসেন (৪৫) হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামিসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১। গতকাল ৩ জুলাই (শুক্রবার) রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— মামলার ১ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি মোঃ সোহেব (৪২), পিতা- খলিল মিয়া (সাং- সালেহনগর) এবং ১০ নম্বর আসামি মোঃ সুমন (৩৮), পিতা- বছির (সাং- শাহী মসজিদ)। উভয়ের বাড়ি নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানা এলাকায়।
মামলার এজাহার ও র্যাব সূত্রে জানা যায়, নিহত হোসিয়ারি শ্রমিক আলমগীর হোসেনের ভাতিজা মুন্নার সাথে একই এলাকার জুয়েলের দীর্ঘদিন ধরে টাকা-পয়সা লেনদেন নিয়ে বিরোধ চলছিল। এই বিরোধ মীমাংসার লক্ষ্যে গত বছরের ৩ অক্টোবর (২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ) শুক্রবার সন্ধ্যায় বন্দর থানার সালেহনগরের একটি অটোরিকশা গ্যারেজে এক সালিশ বৈঠক বসে।
সালিশ চলাকালে পাওনা টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে আসামি জুয়েলসহ অন্যান্যরা আলমগীর হোসেনের ওপর চড়াও হয় এবং মারধর করতে করতে রাস্তা বের করে নিয়ে আসে। পরে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী আসামিরা দেশীয় অস্ত্র, লাঠিসোটা ও এসএস পাইপ দিয়ে আলমগীরকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে মাথা ও শরীরে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে।
গুরুতর আহত অবস্থায় আলমগীরকে উদ্ধার করে প্রথমে বন্দর উপজেলা হাসপাতালে এবং পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরের দিন ৪ অক্টোবর (২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ) সকালে তিনি মারা যান।
এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর নিহতের বোন মোছাঃ কল্পনা বেগম বাদী হয়ে বন্দর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনাটি সে সময় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়
র্যাব-১১-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে র্যাবের একটি আভিযানিক দল গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় ৩ জুলাই, ২০২৬ তারিখ রাত সাড়ে ৯টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল এলাকা থেকে এই দুই আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে র্যাবের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন