ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

ত্রিশালে বইছে প্রকৃতির যৌন ঝড়

আক্রান্ত একের পর এক শিশুকিশোর:



আক্রান্ত একের পর এক শিশুকিশোর:

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে শিশু-কিশোর ধর্ষণ ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে একের পর এক মসজিদের ইমাম গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনায় এলাকায় তীব্র উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে উপজেলার চিকনা মনোহর, বালিপাড়া ও মোক্ষপুর ইউনিয়নে পৃথক তিনটি ঘটনায় তিনজন ইমামের বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।

মোক্ষপুরে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা গত শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬ দুপুরে মোক্ষপুর ইউনিয়নের পুটি গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম খোকা স্থানীয় বালুর বাজার পাঞ্জেখানা মসজিদের ইমাম। তার বাড়ি মোক্ষপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাপখালী গ্রামে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে এলাকাবাসী তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। পরে ত্রিশাল থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে থানা হেফাজতে নেয়। ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ জানায়, চিকিৎসা পরীক্ষার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গত জুন মাসে বালিপাড়ায় ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ এর আগে গত সোমবার রাতে বালিপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বালিপাড়া পাঁচ রাস্তার মোড় এলাকার খালেক মন্ডল জামে মসজিদের ইমাম মো. ইব্রাহিমকে আটক করে পুলিশ। 

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ১০ বছর বয়সী মাদ্রাসার শিক্ষার্থী শিশুটি ইমামকে খাবার দিতে মসজিদে গেলে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা ইমামকে আটক করে পুলিশে দেয়। শিশুটির বাবা বাদী হয়ে মামলা করলে অভিযুক্তকে আদালতে পাঠানো হয়। শিশুটিকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। চিকনা মনোহরে ৫ বছরের শিশু ধর্ষণ 

এরও আগে গত ২০ জুন উপজেলার চিকনা মনোহর গ্রামে পাঁচ বছর বয়সী এক কন্যাশিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে স্থানীয় মসজিদের ইমাম মো. শাহিনুর ইসলামকে আটক করা হয়। শিশুটি তার কাছে আরবি পড়তে যেত। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

 পর,পর এমন ঘটনায় অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। স্থানীয় আলেম-ওলামা ও সুশীল সমাজ বলছেন, মসজিদ-মাদ্রাসার মতো পবিত্র স্থানে এ ধরনের অপরাধ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা ইমাম নিয়োগের ক্ষেত্রে চারিত্রিক সনদ,এবং স্থানীয় কমিটির কঠোর যাচাই-বাছাই বাধ্যতামূলক করার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি দোষী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


আক্রান্ত একের পর এক শিশুকিশোর:

প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬

featured Image

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে শিশু-কিশোর ধর্ষণ ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে একের পর এক মসজিদের ইমাম গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনায় এলাকায় তীব্র উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে উপজেলার চিকনা মনোহর, বালিপাড়া ও মোক্ষপুর ইউনিয়নে পৃথক তিনটি ঘটনায় তিনজন ইমামের বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।

মোক্ষপুরে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা গত শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬ দুপুরে মোক্ষপুর ইউনিয়নের পুটি গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম খোকা স্থানীয় বালুর বাজার পাঞ্জেখানা মসজিদের ইমাম। তার বাড়ি মোক্ষপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাপখালী গ্রামে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে এলাকাবাসী তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। পরে ত্রিশাল থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে থানা হেফাজতে নেয়। ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ জানায়, চিকিৎসা পরীক্ষার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গত জুন মাসে বালিপাড়ায় ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ এর আগে গত সোমবার রাতে বালিপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বালিপাড়া পাঁচ রাস্তার মোড় এলাকার খালেক মন্ডল জামে মসজিদের ইমাম মো. ইব্রাহিমকে আটক করে পুলিশ। 

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ১০ বছর বয়সী মাদ্রাসার শিক্ষার্থী শিশুটি ইমামকে খাবার দিতে মসজিদে গেলে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা ইমামকে আটক করে পুলিশে দেয়। শিশুটির বাবা বাদী হয়ে মামলা করলে অভিযুক্তকে আদালতে পাঠানো হয়। শিশুটিকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। চিকনা মনোহরে ৫ বছরের শিশু ধর্ষণ 

এরও আগে গত ২০ জুন উপজেলার চিকনা মনোহর গ্রামে পাঁচ বছর বয়সী এক কন্যাশিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে স্থানীয় মসজিদের ইমাম মো. শাহিনুর ইসলামকে আটক করা হয়। শিশুটি তার কাছে আরবি পড়তে যেত। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

 পর,পর এমন ঘটনায় অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। স্থানীয় আলেম-ওলামা ও সুশীল সমাজ বলছেন, মসজিদ-মাদ্রাসার মতো পবিত্র স্থানে এ ধরনের অপরাধ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা ইমাম নিয়োগের ক্ষেত্রে চারিত্রিক সনদ,এবং স্থানীয় কমিটির কঠোর যাচাই-বাছাই বাধ্যতামূলক করার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি দোষী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ