নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন, প্রশাসনের জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং সেবা প্রত্যাশীদের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক ব্যতিক্রমী গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ গণশুনানির আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হান কবির।
গণশুনানিতে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত সর্বস্তরের মানুষ তাদের ব্যক্তিগত ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা সমস্যা, ভোগান্তি, অভিযোগ ও আবেদন সরাসরি জেলা প্রশাসকের কাছে তুলে ধরেন। অভিযোগগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দ্রুত সমাধানের নির্দেশ দেন জেলা প্রশাসক।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত ও কার্যকর প্রশাসনিক সেবা পৌঁছে দিতে এবং নাগরিকদের অভিযোগ সরাসরি গ্রহণের মাধ্যমে দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করতে প্রতি সপ্তাহের বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ গণশুনানি নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত হবে।
সাধারণ মানুষ যেন কোনো ধরনের দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর শরণাপন্ন না হয়ে সরাসরি প্রশাসনের কাছে তাদের সমস্যা তুলে ধরতে পারেন, সে পরিবেশ তৈরি করাই জেলা প্রশাসনের লক্ষ্য।" — মো. রায়হান কবির, জেলা প্রশাসক, নারায়ণগঞ্জ।
আজকের গণশুনানিতে ভূমি-সংক্রান্ত জটিলতা, নামজারি, খাসজমি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, বিভিন্ন সরকারি সেবা প্রাপ্তিতে বিলম্ব, প্রশাসনিক হয়রানি, অবকাঠামোগত সমস্যা এবং অন্যান্য জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে অভিযোগ ও আবেদন উপস্থাপন করেন সেবা প্রত্যাশীরা।
প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে যেসব সমস্যা তাৎক্ষণিকভাবে নিষ্পত্তিযোগ্য ছিল, সেগুলোর দ্রুত সমাধান করা হয়। আর যেসব বিষয়ে অধিকতর তদন্ত বা আইনি প্রক্রিয়ার প্রয়োজন রয়েছে, সেগুলো একটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, "জনগণের সঙ্গে প্রশাসনের দূরত্ব কমানো এবং নাগরিকদের ভোগান্তি হ্রাস করাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। গণশুনানির মাধ্যমে মানুষের কথা সরাসরি শোনা হলে অনেক জটিল সমস্যারও দ্রুত সমাধান সম্ভব হয়। একই সঙ্গে এতে প্রশাসনের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সেবার মান আরও বৃদ্ধি পায়। জনগণের আস্থা অর্জনে এ ধরনের কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।"
উক্ত গণশুনানিতে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন:
রিনাত ফৌজিয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)
মো. সিফাত উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক)
কাফি, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
মো. আলিনুর খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ।
জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, ভবিষ্যতেও এই গণশুনানি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এর মাধ্যমে জনগণের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির পাশাপাশি একটি নাগরিকবান্ধব, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসনিক কাঠামো নিশ্চিত করা আরও সহজ হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন, প্রশাসনের জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং সেবা প্রত্যাশীদের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক ব্যতিক্রমী গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ গণশুনানির আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হান কবির।
গণশুনানিতে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত সর্বস্তরের মানুষ তাদের ব্যক্তিগত ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা সমস্যা, ভোগান্তি, অভিযোগ ও আবেদন সরাসরি জেলা প্রশাসকের কাছে তুলে ধরেন। অভিযোগগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দ্রুত সমাধানের নির্দেশ দেন জেলা প্রশাসক।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত ও কার্যকর প্রশাসনিক সেবা পৌঁছে দিতে এবং নাগরিকদের অভিযোগ সরাসরি গ্রহণের মাধ্যমে দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করতে প্রতি সপ্তাহের বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ গণশুনানি নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত হবে।
সাধারণ মানুষ যেন কোনো ধরনের দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর শরণাপন্ন না হয়ে সরাসরি প্রশাসনের কাছে তাদের সমস্যা তুলে ধরতে পারেন, সে পরিবেশ তৈরি করাই জেলা প্রশাসনের লক্ষ্য।" — মো. রায়হান কবির, জেলা প্রশাসক, নারায়ণগঞ্জ।
আজকের গণশুনানিতে ভূমি-সংক্রান্ত জটিলতা, নামজারি, খাসজমি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, বিভিন্ন সরকারি সেবা প্রাপ্তিতে বিলম্ব, প্রশাসনিক হয়রানি, অবকাঠামোগত সমস্যা এবং অন্যান্য জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে অভিযোগ ও আবেদন উপস্থাপন করেন সেবা প্রত্যাশীরা।
প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে যেসব সমস্যা তাৎক্ষণিকভাবে নিষ্পত্তিযোগ্য ছিল, সেগুলোর দ্রুত সমাধান করা হয়। আর যেসব বিষয়ে অধিকতর তদন্ত বা আইনি প্রক্রিয়ার প্রয়োজন রয়েছে, সেগুলো একটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, "জনগণের সঙ্গে প্রশাসনের দূরত্ব কমানো এবং নাগরিকদের ভোগান্তি হ্রাস করাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। গণশুনানির মাধ্যমে মানুষের কথা সরাসরি শোনা হলে অনেক জটিল সমস্যারও দ্রুত সমাধান সম্ভব হয়। একই সঙ্গে এতে প্রশাসনের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সেবার মান আরও বৃদ্ধি পায়। জনগণের আস্থা অর্জনে এ ধরনের কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।"
উক্ত গণশুনানিতে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন:
রিনাত ফৌজিয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)
মো. সিফাত উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক)
কাফি, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
মো. আলিনুর খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ।
জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, ভবিষ্যতেও এই গণশুনানি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এর মাধ্যমে জনগণের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির পাশাপাশি একটি নাগরিকবান্ধব, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসনিক কাঠামো নিশ্চিত করা আরও সহজ হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন