আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জ ডট শপের ‘ডাবল টাকা ভাউচার অফার’ দিয়ে গ্রাহকের বিপুল অর্থ আত্মসাতের মামলায় প্রতিষ্ঠানটির প্রধান উপদেষ্টা মাশুকুর রহমানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাজধানীর কোতয়ালী থানা এলাকা থেকে তাকে আটক করে গুলশান থানা পুলিশ। ডিএমপির গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) এম তানভীর আহমেদ গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। গুলশান থানা সূত্রে জানা যায়, গুলশান জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) শাহ মোস্তফা তারিকুজ্জামানের তত্ত্বাবধানে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানায়, মাশুকুর রহমানের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় ৩টি, মতিঝিল থানায় ৯টি এবং মোহাম্মদপুর থানায় ৯টি গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও রয়েছে। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, ই-অরেঞ্জ ডট শপের মাধ্যমে প্রায় ৩৫৮ কোটি টাকার মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ২০১৯ সালের ৩১ জুলাই থেকে ২০২১ সালের ১৭ আগস্ট পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি অগ্রিম টাকা নিয়ে ব্যবসা চালায়। ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে কম দামে মোটরসাইকেল, মোবাইল ফোন, রেফ্রিজারেটর ও টেলিভিশনসহ বিভিন্ন পণ্য দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হতো। প্রায় ৩ লাখ ১৫ হাজার ৫৭০ জন গ্রাহকের কাছ থেকে মোট প্রায় ৯৫৭ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয় বলে তদন্তে উঠে এসেছে। তবে অনেক গ্রাহকই প্রতিশ্রুত পণ্য পাননি। সেই অর্থই পরে মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে সরানো হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জ ডট শপের ‘ডাবল টাকা ভাউচার অফার’ দিয়ে গ্রাহকের বিপুল অর্থ আত্মসাতের মামলায় প্রতিষ্ঠানটির প্রধান উপদেষ্টা মাশুকুর রহমানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাজধানীর কোতয়ালী থানা এলাকা থেকে তাকে আটক করে গুলশান থানা পুলিশ। ডিএমপির গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) এম তানভীর আহমেদ গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। গুলশান থানা সূত্রে জানা যায়, গুলশান জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) শাহ মোস্তফা তারিকুজ্জামানের তত্ত্বাবধানে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানায়, মাশুকুর রহমানের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় ৩টি, মতিঝিল থানায় ৯টি এবং মোহাম্মদপুর থানায় ৯টি গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও রয়েছে। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, ই-অরেঞ্জ ডট শপের মাধ্যমে প্রায় ৩৫৮ কোটি টাকার মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ২০১৯ সালের ৩১ জুলাই থেকে ২০২১ সালের ১৭ আগস্ট পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি অগ্রিম টাকা নিয়ে ব্যবসা চালায়। ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে কম দামে মোটরসাইকেল, মোবাইল ফোন, রেফ্রিজারেটর ও টেলিভিশনসহ বিভিন্ন পণ্য দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হতো। প্রায় ৩ লাখ ১৫ হাজার ৫৭০ জন গ্রাহকের কাছ থেকে মোট প্রায় ৯৫৭ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয় বলে তদন্তে উঠে এসেছে। তবে অনেক গ্রাহকই প্রতিশ্রুত পণ্য পাননি। সেই অর্থই পরে মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে সরানো হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন