জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দেওয়া বীর শহীদদের স্মরণে আলোয় আলোয় ভরে উঠেছিল কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া। শহীদদের রক্তক্ষয়ী আত্মত্যাগকে বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করতে মধ্যরাতে মোমবাতি প্রজ্বলন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। যেন প্রতিটি মোমবাতির শিখা হয়ে উঠেছিল একেকটি শহীদের অম্লান স্মৃতির প্রতীক।
মঙ্গলবার রাত ১২টা ১ মিনিটে পাকুন্দিয়া সরকারি কলেজের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে উপজেলা, পৌর ও কলেজ শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে এই ব্যতিক্রমী ও আবেগঘন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
"যে আলো তোমরা জ্বেলে দিয়েছ বুকে, সে আলো নিভবে না আর কোনো সুখে।" শহীদদের স্মরণে উপস্থিত নেতাকর্মীদের কণ্ঠে ছিল দেশাত্মবোধ ও বিপ্লবের দৃঢ় প্রত্যয়।
রাত গভীর হওয়ার সাথে সাথেই পাকুন্দিয়া সরকারি কলেজ শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে জড়ো হতে থাকেন ছাত্রদলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা। ঘড়ির কাঁটায় ঠিক রাত ১২টা ১ মিনিট বাজতেই মুহূর্তের মধ্যে অন্ধকার ছাপিয়ে জ্বলে ওঠে শত শত মোমবাতি। মোমবাতির সেই স্নিগ্ধ ও কম্পমান আলোয় উজ্জ্বল হয়ে ওঠে শহীদ মিনারের বেদি। উপস্থিত সকলের চোখে-মুখে তখন একদিকে যেমন ছিল স্বজন হারানোর বেদনা, অন্যদিকে ছিল একটি নতুন, স্বাধীন ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অদম্য প্রত্যয়।
উক্ত আবেগঘন মোমবাতি প্রজ্বলন কর্মসূচিতে মূল নেতৃত্ব দেন পাকুন্দিয়া সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আরমান হোসেন। কর্মসূচিতে তার সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে অংশ নেন উপজেলা, পৌর ও কলেজ শাখা ছাত্রদলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ।
কর্মসূচি শেষে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে আরমান হোসেন বলেন, "জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে আমাদের যে ভাইয়েরা বুক পেতে দিয়ে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছে, তাদের এই ঋণ কোনোদিন শোধ হওয়ার নয়। এই মোমবাতির আলো কেবল স্মরণের প্রতীক নয়, এটি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আমাদের চলমান লড়াইয়ের মশাল। শহীদদের রক্তের প্রতিটি ফোঁটার মর্যাদা রক্ষা করতে আমরা রাজপথে সজাগ থাকব।"
রাত বাড়লেও নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি এবং শহীদদের প্রতি তাদের এই গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন পুরো পাকুন্দিয়ায় এক অভূতপূর্ব ও হৃদয়স্পর্শী আবহের সৃষ্টি করে। সবশেষে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দেওয়া বীর শহীদদের স্মরণে আলোয় আলোয় ভরে উঠেছিল কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া। শহীদদের রক্তক্ষয়ী আত্মত্যাগকে বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করতে মধ্যরাতে মোমবাতি প্রজ্বলন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। যেন প্রতিটি মোমবাতির শিখা হয়ে উঠেছিল একেকটি শহীদের অম্লান স্মৃতির প্রতীক।
মঙ্গলবার রাত ১২টা ১ মিনিটে পাকুন্দিয়া সরকারি কলেজের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে উপজেলা, পৌর ও কলেজ শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে এই ব্যতিক্রমী ও আবেগঘন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
"যে আলো তোমরা জ্বেলে দিয়েছ বুকে, সে আলো নিভবে না আর কোনো সুখে।" শহীদদের স্মরণে উপস্থিত নেতাকর্মীদের কণ্ঠে ছিল দেশাত্মবোধ ও বিপ্লবের দৃঢ় প্রত্যয়।
রাত গভীর হওয়ার সাথে সাথেই পাকুন্দিয়া সরকারি কলেজ শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে জড়ো হতে থাকেন ছাত্রদলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা। ঘড়ির কাঁটায় ঠিক রাত ১২টা ১ মিনিট বাজতেই মুহূর্তের মধ্যে অন্ধকার ছাপিয়ে জ্বলে ওঠে শত শত মোমবাতি। মোমবাতির সেই স্নিগ্ধ ও কম্পমান আলোয় উজ্জ্বল হয়ে ওঠে শহীদ মিনারের বেদি। উপস্থিত সকলের চোখে-মুখে তখন একদিকে যেমন ছিল স্বজন হারানোর বেদনা, অন্যদিকে ছিল একটি নতুন, স্বাধীন ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অদম্য প্রত্যয়।
উক্ত আবেগঘন মোমবাতি প্রজ্বলন কর্মসূচিতে মূল নেতৃত্ব দেন পাকুন্দিয়া সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আরমান হোসেন। কর্মসূচিতে তার সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে অংশ নেন উপজেলা, পৌর ও কলেজ শাখা ছাত্রদলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ।
কর্মসূচি শেষে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে আরমান হোসেন বলেন, "জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে আমাদের যে ভাইয়েরা বুক পেতে দিয়ে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছে, তাদের এই ঋণ কোনোদিন শোধ হওয়ার নয়। এই মোমবাতির আলো কেবল স্মরণের প্রতীক নয়, এটি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আমাদের চলমান লড়াইয়ের মশাল। শহীদদের রক্তের প্রতিটি ফোঁটার মর্যাদা রক্ষা করতে আমরা রাজপথে সজাগ থাকব।"
রাত বাড়লেও নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি এবং শহীদদের প্রতি তাদের এই গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন পুরো পাকুন্দিয়ায় এক অভূতপূর্ব ও হৃদয়স্পর্শী আবহের সৃষ্টি করে। সবশেষে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।

আপনার মতামত লিখুন