নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) ২ নং ওয়ার্ডের সচিব মো. মেহেদী হাসানকে মারধর ও শ্বাসরোধ করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সাবেক কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা ইকবাল হোসেনসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সচিব নিজেই বাদী হয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ জুন রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি কান্দাপাড়া এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ এপ্রিল সাবেক কাউন্সিলর ইকবালের ভাই তুহিনকে সরিয়ে মেহেদী হাসানকে ২নং ওয়ার্ডের সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই প্রশাসনিক রদবদলের পর থেকেই সাবেক কাউন্সিলর ও তাঁর অনুসারীরা মেহেদী হাসানের ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন।
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ঘটনার দিন রাতে সাবেক কাউন্সিলর ইকবালের নির্দেশে তাঁর অনুসারী মুক্তার, সোলাইমান পলাশসহ অজ্ঞাতনামা ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে প্রথমে সিটি করপোরেশনের ল্যাম্পপোস্ট মেরামতের কাজে বাধা দেয়। এর ধারাবাহিকতায় আসামিরা মেহেদী হাসানের বাসায় জোরপূর্বক প্রবেশ করে তাঁকে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে। একপর্যায়ে প্রধান অভিযুক্ত ইকবাল হোসেন মেহেদী হাসানের গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালান। এ সময় ভুক্তভোগীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে হামলাকারীরা তাঁকে পদত্যাগের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক জানান, ঘটনাটি নিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) ২ নং ওয়ার্ডের সচিব মো. মেহেদী হাসানকে মারধর ও শ্বাসরোধ করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সাবেক কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা ইকবাল হোসেনসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সচিব নিজেই বাদী হয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ জুন রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি কান্দাপাড়া এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ এপ্রিল সাবেক কাউন্সিলর ইকবালের ভাই তুহিনকে সরিয়ে মেহেদী হাসানকে ২নং ওয়ার্ডের সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই প্রশাসনিক রদবদলের পর থেকেই সাবেক কাউন্সিলর ও তাঁর অনুসারীরা মেহেদী হাসানের ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন।
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ঘটনার দিন রাতে সাবেক কাউন্সিলর ইকবালের নির্দেশে তাঁর অনুসারী মুক্তার, সোলাইমান পলাশসহ অজ্ঞাতনামা ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে প্রথমে সিটি করপোরেশনের ল্যাম্পপোস্ট মেরামতের কাজে বাধা দেয়। এর ধারাবাহিকতায় আসামিরা মেহেদী হাসানের বাসায় জোরপূর্বক প্রবেশ করে তাঁকে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে। একপর্যায়ে প্রধান অভিযুক্ত ইকবাল হোসেন মেহেদী হাসানের গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালান। এ সময় ভুক্তভোগীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে হামলাকারীরা তাঁকে পদত্যাগের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক জানান, ঘটনাটি নিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন