উত্তর কোরিয়ার সামরিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে আগামী পাঁচ বছর ধরে প্রতি বছর দুটি করে যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির নেতা কিম জন উন। নতুন জাহাজগুলো হবে ৫ হাজার মেট্রিক টন ওজনের অত্যাধুনিক ডেস্ট্রয়ার ‘চো হাইওন’-এর আদলে নির্মিত।
বুধবার (২৪ জুন) উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ-এর বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা আনাদোলু।
নামফো বন্দরে নতুন বহুমুখী ডেস্ট্রয়ার ‘চো হাইওন’-কে আনুষ্ঠানিকভাবে নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করার অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে কিম জং উন বলেন, দেশের নৌশক্তিকে নতুন উচ্চতায় নিতে ধারাবাহিকভাবে যুদ্ধজাহাজ নির্মাণ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে।
জানা গেছে, ‘চো হাইওন’ গত ১৪ মাসে বিভিন্ন সামরিক পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন করেছে এবং এখন পূর্ণাঙ্গ অভিযানের জন্য প্রস্তুত। একই অনুষ্ঠানে কিম জানান, খুব শিগগিরই ‘কাং কন’ নামে আরও একটি ৫ হাজার টনের ডেস্ট্রয়ার এবং ১০ হাজার টনের একটি বৃহৎ যুদ্ধজাহাজ বহরে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
উল্লেখ্য, ‘কাং কন’ জাহাজটি গত বছর পানিতে নামানোর সময় আংশিকভাবে কাত হয়ে পড়েছিল। পরে সেটি মেরামত করে পুনরায় প্রস্তুত করা হয়।
দীর্ঘদিন ধরে উত্তর কোরিয়ার নৌবাহিনীকে দেশটির সামরিক বাহিনীর তুলনামূলক দুর্বল অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হলেও কিম জং উনের দাবি, নতুন যুদ্ধজাহাজ যুক্ত হলে নৌবাহিনীর সক্ষমতা ‘কল্পনারও বাইরে’ চলে যাবে। এতে দেশের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় নৌবাহিনীর ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
নৌবাহিনীর আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে নতুন ও অত্যাধুনিক নৌঘাঁটি নির্মাণকেও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে পিয়ংইয়ং। এ বিষয়ে সম্প্রতি ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টি অব কোরিয়া -এর কেন্দ্রীয় কমিটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এছাড়া নৌবাহিনীকে পারমাণবিক সক্ষমতায় সজ্জিত করার কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন কিম। তার ভাষ্য, এই উদ্যোগ উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
উত্তর কোরিয়ার সামরিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে আগামী পাঁচ বছর ধরে প্রতি বছর দুটি করে যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির নেতা কিম জন উন। নতুন জাহাজগুলো হবে ৫ হাজার মেট্রিক টন ওজনের অত্যাধুনিক ডেস্ট্রয়ার ‘চো হাইওন’-এর আদলে নির্মিত।
বুধবার (২৪ জুন) উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ-এর বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা আনাদোলু।
নামফো বন্দরে নতুন বহুমুখী ডেস্ট্রয়ার ‘চো হাইওন’-কে আনুষ্ঠানিকভাবে নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করার অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে কিম জং উন বলেন, দেশের নৌশক্তিকে নতুন উচ্চতায় নিতে ধারাবাহিকভাবে যুদ্ধজাহাজ নির্মাণ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে।
জানা গেছে, ‘চো হাইওন’ গত ১৪ মাসে বিভিন্ন সামরিক পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন করেছে এবং এখন পূর্ণাঙ্গ অভিযানের জন্য প্রস্তুত। একই অনুষ্ঠানে কিম জানান, খুব শিগগিরই ‘কাং কন’ নামে আরও একটি ৫ হাজার টনের ডেস্ট্রয়ার এবং ১০ হাজার টনের একটি বৃহৎ যুদ্ধজাহাজ বহরে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
উল্লেখ্য, ‘কাং কন’ জাহাজটি গত বছর পানিতে নামানোর সময় আংশিকভাবে কাত হয়ে পড়েছিল। পরে সেটি মেরামত করে পুনরায় প্রস্তুত করা হয়।
দীর্ঘদিন ধরে উত্তর কোরিয়ার নৌবাহিনীকে দেশটির সামরিক বাহিনীর তুলনামূলক দুর্বল অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হলেও কিম জং উনের দাবি, নতুন যুদ্ধজাহাজ যুক্ত হলে নৌবাহিনীর সক্ষমতা ‘কল্পনারও বাইরে’ চলে যাবে। এতে দেশের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় নৌবাহিনীর ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
নৌবাহিনীর আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে নতুন ও অত্যাধুনিক নৌঘাঁটি নির্মাণকেও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে পিয়ংইয়ং। এ বিষয়ে সম্প্রতি ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টি অব কোরিয়া -এর কেন্দ্রীয় কমিটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এছাড়া নৌবাহিনীকে পারমাণবিক সক্ষমতায় সজ্জিত করার কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন কিম। তার ভাষ্য, এই উদ্যোগ উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে।

আপনার মতামত লিখুন