ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

তারিকাটায় ভূমি জরিপে ঘুষ-অনিয়মের অভিযোগ, কৃষকদের মানববন্ধন


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ জুন ২০২৬

তারিকাটায় ভূমি জরিপে ঘুষ-অনিয়মের অভিযোগ, কৃষকদের মানববন্ধন
ছবি: প্রতিনিধি

আমতলী উপজেলার আরপাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের তারিকাটা গ্রামে ডিজিটাল ভূমি জরিপকে কেন্দ্র করে ঘুষ, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের প্রতিবাদে স্থানীয় শতাধিক কৃষক মঙ্গলবার সকালে আরপাঙ্গাশিয়া বাজারে মানববন্ধন করেন।

সকাল ১১টার দিকে অনুষ্ঠিত ঘণ্টাব্যাপী এই কর্মসূচিতে অংশ নেন ভুক্তভোগী কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। তারা অভিযোগ করেন, ২০২৩ সালের ১৫ নভেম্বর ৩৩ নম্বর তারিকাটা মৌজায় ডিজিটাল জরিপ শুরু হওয়ার পর থেকেই সেটেলমেন্ট অফিসের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী অনিয়মের সঙ্গে জড়িত।

কৃষকদের দাবি, একাধিক ক্ষেত্রে ঘুষের বিনিময়ে এক ব্যক্তির জমি অন্যের নামে রেকর্ড করা হয়েছে। আবার একটি খতিয়ান ভেঙে একাধিক খতিয়ান তৈরি করার ঘটনাও ঘটেছে বলে তারা অভিযোগ করেন। পরে এসব ভুল সংশোধনের জন্য গেলে মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি করা হয় বলেও জানান তারা।

ভুক্তভোগী কৃষক মো. জাফর বিশ্বাস বলেন, “আমার আটটি খতিয়ান ভেঙে ৪২০টি খতিয়ান করা হয়েছে। পরে সংশোধনের জন্য গেলে টাকা দাবি করা হয়।”

আরেক কৃষক জাকির হোসেন হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, তার কয়েকটি দাগের জমি অন্যের নামে রেকর্ড হয়ে যায় এবং পরে অর্থের বিনিময়ে তা সংশোধন করা হয়।

এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে আমতলী উপজেলা সেটেলমেন্ট কার্যালয়ের সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, “আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।”

আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


তারিকাটায় ভূমি জরিপে ঘুষ-অনিয়মের অভিযোগ, কৃষকদের মানববন্ধন

প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬

featured Image

আমতলী উপজেলার আরপাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের তারিকাটা গ্রামে ডিজিটাল ভূমি জরিপকে কেন্দ্র করে ঘুষ, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের প্রতিবাদে স্থানীয় শতাধিক কৃষক মঙ্গলবার সকালে আরপাঙ্গাশিয়া বাজারে মানববন্ধন করেন।

সকাল ১১টার দিকে অনুষ্ঠিত ঘণ্টাব্যাপী এই কর্মসূচিতে অংশ নেন ভুক্তভোগী কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। তারা অভিযোগ করেন, ২০২৩ সালের ১৫ নভেম্বর ৩৩ নম্বর তারিকাটা মৌজায় ডিজিটাল জরিপ শুরু হওয়ার পর থেকেই সেটেলমেন্ট অফিসের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী অনিয়মের সঙ্গে জড়িত।

কৃষকদের দাবি, একাধিক ক্ষেত্রে ঘুষের বিনিময়ে এক ব্যক্তির জমি অন্যের নামে রেকর্ড করা হয়েছে। আবার একটি খতিয়ান ভেঙে একাধিক খতিয়ান তৈরি করার ঘটনাও ঘটেছে বলে তারা অভিযোগ করেন। পরে এসব ভুল সংশোধনের জন্য গেলে মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি করা হয় বলেও জানান তারা।

ভুক্তভোগী কৃষক মো. জাফর বিশ্বাস বলেন, “আমার আটটি খতিয়ান ভেঙে ৪২০টি খতিয়ান করা হয়েছে। পরে সংশোধনের জন্য গেলে টাকা দাবি করা হয়।”

আরেক কৃষক জাকির হোসেন হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, তার কয়েকটি দাগের জমি অন্যের নামে রেকর্ড হয়ে যায় এবং পরে অর্থের বিনিময়ে তা সংশোধন করা হয়।

এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে আমতলী উপজেলা সেটেলমেন্ট কার্যালয়ের সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, “আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।”

আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ