মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে আন্তর্জাতিক সারবাজারে অনিশ্চয়তা দেখা দেওয়ায় রাশিয়া থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ইউরিয়া সার আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সার উৎপাদনকারী ও রপ্তানিকারক দেশগুলোতে উৎপাদন, পরিবহন এবং লজিস্টিক ব্যবস্থায় সংকট তৈরি হয়েছে। এতে বৈশ্বিক বাজারে ইউরিয়া সারের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশের কৃষি খাতে সারের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিকল্প উৎস হিসেবে রাশিয়া থেকে সরাসরি সার আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রাখা এবং আসন্ন মৌসুমে সারের কোনো ঘাটতি এড়াতে দ্রুত এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সরাসরি ক্রয়ের মাধ্যমে কম সময়ে প্রয়োজনীয় সার দেশে আনা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক অস্থিরতার সময়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষি উপকরণের পর্যাপ্ত মজুত রাখা অত্যন্ত জরুরি। তাই আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তার মধ্যেও সরকার যে আগাম পদক্ষেপ নিয়েছে, তা দেশের কৃষি খাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বর্তমানে দেশে ইউরিয়া সারের চাহিদা মেটাতে সরকার বিভিন্ন উৎস থেকে সার আমদানি করছে। তবে বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বিঘ্ন না ঘটে, সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখে রাশিয়া থেকে সরাসরি আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে আন্তর্জাতিক সারবাজারে অনিশ্চয়তা দেখা দেওয়ায় রাশিয়া থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ইউরিয়া সার আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সার উৎপাদনকারী ও রপ্তানিকারক দেশগুলোতে উৎপাদন, পরিবহন এবং লজিস্টিক ব্যবস্থায় সংকট তৈরি হয়েছে। এতে বৈশ্বিক বাজারে ইউরিয়া সারের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশের কৃষি খাতে সারের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিকল্প উৎস হিসেবে রাশিয়া থেকে সরাসরি সার আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রাখা এবং আসন্ন মৌসুমে সারের কোনো ঘাটতি এড়াতে দ্রুত এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সরাসরি ক্রয়ের মাধ্যমে কম সময়ে প্রয়োজনীয় সার দেশে আনা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক অস্থিরতার সময়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষি উপকরণের পর্যাপ্ত মজুত রাখা অত্যন্ত জরুরি। তাই আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তার মধ্যেও সরকার যে আগাম পদক্ষেপ নিয়েছে, তা দেশের কৃষি খাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বর্তমানে দেশে ইউরিয়া সারের চাহিদা মেটাতে সরকার বিভিন্ন উৎস থেকে সার আমদানি করছে। তবে বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বিঘ্ন না ঘটে, সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখে রাশিয়া থেকে সরাসরি আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন