: বহুল আলোচিত শিশু আয়াত হত্যা মামলায় প্রধান আসামি মো. আবীরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এ এ রায় ঘোষণা করা হয়।
আদালত সূত্র জানায়, অপহরণ, হত্যা এবং মরদেহ খণ্ডিত করে গুম করার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামি আবীরকে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর ইপিজেড থানার বন্দরটিলা এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় পাঁচ বছরের শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত। পরে তদন্তে উঠে আসে, মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে আয়াতকে অপহরণ করে প্রতিবেশী আবীর। অপহরণের পর শিশুটিকে হত্যা করা হয় এবং পরিচয় গোপন করতে মরদেহ ছয় টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়।
নৃশংস এই হত্যাকাণ্ড দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। দীর্ঘ তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। সাক্ষ্য-প্রমাণ ও শুনানি শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন।
রায় ঘোষণার পর আদালত প্রাঙ্গণে সন্তোষ প্রকাশ করেন আয়াতের পরিবারের সদস্যরা। তারা দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা বলেছেন, এই রায় সমাজে শিশুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত ভয়াবহ অপরাধের বিরুদ্ধে একটি শক্ত বার্তা হিসেবে কাজ করবে।
উল্লেখ্য, শিশু আয়াত হত্যা মামলাটি দেশের অন্যতম আলোচিত ও হৃদয়বিদারক ঘটনার মধ্যে একটি হিসেবে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছিল।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬
: বহুল আলোচিত শিশু আয়াত হত্যা মামলায় প্রধান আসামি মো. আবীরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এ এ রায় ঘোষণা করা হয়।
আদালত সূত্র জানায়, অপহরণ, হত্যা এবং মরদেহ খণ্ডিত করে গুম করার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামি আবীরকে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর ইপিজেড থানার বন্দরটিলা এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় পাঁচ বছরের শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত। পরে তদন্তে উঠে আসে, মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে আয়াতকে অপহরণ করে প্রতিবেশী আবীর। অপহরণের পর শিশুটিকে হত্যা করা হয় এবং পরিচয় গোপন করতে মরদেহ ছয় টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়।
নৃশংস এই হত্যাকাণ্ড দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। দীর্ঘ তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। সাক্ষ্য-প্রমাণ ও শুনানি শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন।
রায় ঘোষণার পর আদালত প্রাঙ্গণে সন্তোষ প্রকাশ করেন আয়াতের পরিবারের সদস্যরা। তারা দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা বলেছেন, এই রায় সমাজে শিশুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত ভয়াবহ অপরাধের বিরুদ্ধে একটি শক্ত বার্তা হিসেবে কাজ করবে।
উল্লেখ্য, শিশু আয়াত হত্যা মামলাটি দেশের অন্যতম আলোচিত ও হৃদয়বিদারক ঘটনার মধ্যে একটি হিসেবে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন