নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় এক গৃহবধূকে অপহরণের পর সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে ডিমলা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করা হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গৃহবধূকে জোরপূর্বক অপহরণ করে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। পরে ভুক্তভোগী বিষয়টি পরিবারকে জানালে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।
ডিমলা থানার এক কর্মকর্তা জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করে। ভুক্তভোগীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তার দুই আসামিকে আদালতে সোপর্দের প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। দোষীদের দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় এক গৃহবধূকে অপহরণের পর সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে ডিমলা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করা হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গৃহবধূকে জোরপূর্বক অপহরণ করে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। পরে ভুক্তভোগী বিষয়টি পরিবারকে জানালে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।
ডিমলা থানার এক কর্মকর্তা জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করে। ভুক্তভোগীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তার দুই আসামিকে আদালতে সোপর্দের প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। দোষীদের দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন