দেশে নিবন্ধিত মোটরসাইকেলের সংখ্যা প্রায় ৫০ লাখে পৌঁছেছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)-এর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত মোটরসাইকেলের সংখ্যা প্রায় ৪৯ লাখ, যা দেশের মোট নিবন্ধিত যানবাহনের বড় একটি অংশ।
সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, সহজ যোগাযোগ, কম খরচ এবং দ্রুত যাতায়াতের সুবিধার কারণে দেশে মোটরসাইকেলের ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে শহর ও গ্রামাঞ্চলে ব্যক্তিগত যাতায়াতের পাশাপাশি পণ্য ও সেবা পরিবহনেও মোটরসাইকেলের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
তবে মোটরসাইকেলের সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ট্রাফিক আইন বাস্তবায়ন, চালকদের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা এবং হেলমেট ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। নিরাপদ সড়ক গড়ে তুলতে চালক ও পথচারী—সবার সম্মিলিত সচেতনতা প্রয়োজন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মোটরসাইকেলের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখলেও দুর্ঘটনা রোধে কঠোর আইন প্রয়োগ ও সচেতনতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
দেশে নিবন্ধিত মোটরসাইকেলের সংখ্যা প্রায় ৫০ লাখে পৌঁছেছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)-এর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত মোটরসাইকেলের সংখ্যা প্রায় ৪৯ লাখ, যা দেশের মোট নিবন্ধিত যানবাহনের বড় একটি অংশ।
সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, সহজ যোগাযোগ, কম খরচ এবং দ্রুত যাতায়াতের সুবিধার কারণে দেশে মোটরসাইকেলের ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে শহর ও গ্রামাঞ্চলে ব্যক্তিগত যাতায়াতের পাশাপাশি পণ্য ও সেবা পরিবহনেও মোটরসাইকেলের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
তবে মোটরসাইকেলের সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ট্রাফিক আইন বাস্তবায়ন, চালকদের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা এবং হেলমেট ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। নিরাপদ সড়ক গড়ে তুলতে চালক ও পথচারী—সবার সম্মিলিত সচেতনতা প্রয়োজন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মোটরসাইকেলের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখলেও দুর্ঘটনা রোধে কঠোর আইন প্রয়োগ ও সচেতনতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই।

আপনার মতামত লিখুন