রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে চিকিৎসককে মারধরের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের শাস্তির দাবিতে কর্মবিরতি পালন করছেন চিকিৎসকরা। এদিকে একই ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে রোগীর স্বজনকে অপমান, কান ধরে উঠবস করানো এবং মরদেহ আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুর পর বিল ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে চিকিৎসক ও রোগীর স্বজনদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে রোগীর ছেলেকে প্রকাশ্যে কান ধরে উঠবস করানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পাশাপাশি মরদেহ হস্তান্তরেও বিলম্ব করা হয় বলে দাবি স্বজনদের।
অন্যদিকে চিকিৎসকদের দাবি, দায়িত্ব পালনকালে এক চিকিৎসকের ওপর হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার বিচার, হাসপাতালের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং দোষীদের শাস্তির দাবিতে তারা কর্মবিরতি পালন করছেন।
ঘটনার পর হাসপাতালজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। তবে চিকিৎসক ও রোগীর স্বজন—উভয় পক্ষের অভিযোগ সামনে আসায় পুরো ঘটনা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে চিকিৎসককে মারধরের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের শাস্তির দাবিতে কর্মবিরতি পালন করছেন চিকিৎসকরা। এদিকে একই ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে রোগীর স্বজনকে অপমান, কান ধরে উঠবস করানো এবং মরদেহ আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুর পর বিল ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে চিকিৎসক ও রোগীর স্বজনদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে রোগীর ছেলেকে প্রকাশ্যে কান ধরে উঠবস করানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পাশাপাশি মরদেহ হস্তান্তরেও বিলম্ব করা হয় বলে দাবি স্বজনদের।
অন্যদিকে চিকিৎসকদের দাবি, দায়িত্ব পালনকালে এক চিকিৎসকের ওপর হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার বিচার, হাসপাতালের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং দোষীদের শাস্তির দাবিতে তারা কর্মবিরতি পালন করছেন।
ঘটনার পর হাসপাতালজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। তবে চিকিৎসক ও রোগীর স্বজন—উভয় পক্ষের অভিযোগ সামনে আসায় পুরো ঘটনা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন