চুয়াডাঙ্গার দর্শনা-গেদে সীমান্ত দিয়ে ১১ জন বাংলাদেশিকে জোরপূর্বক দেশে ঠেলে পাঠানোর (পুশইন) চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদের তৎপরতায় সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।
রোববার (১৪ জুন) ভোরে দর্শনা সীমান্তের ৭৬-৭৭ নম্বর মেইন পিলার সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, পুশইনের চেষ্টাকৃত ১১ জনের মধ্যে ৮ জন পুরুষ ও ৩ জন নারী ছিলেন।
বিজিবি জানায়, ভোর সাড়ে ৪টার দিকে বিএসএফ সদস্যরা ওই ব্যক্তিদের বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করলে সীমান্তে দায়িত্ব পালনরত বিজিবি সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে বাধা দেয়। এতে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং ওই ব্যক্তিদের ভারতীয় ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশইনের ঘটনা প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন সীমান্তে পুশইনের একাধিক চেষ্টা লক্ষ্য করা গেলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিজিবির তৎপরতায় তা প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট বাহিনী সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
চুয়াডাঙ্গার দর্শনা-গেদে সীমান্ত দিয়ে ১১ জন বাংলাদেশিকে জোরপূর্বক দেশে ঠেলে পাঠানোর (পুশইন) চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদের তৎপরতায় সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।
রোববার (১৪ জুন) ভোরে দর্শনা সীমান্তের ৭৬-৭৭ নম্বর মেইন পিলার সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, পুশইনের চেষ্টাকৃত ১১ জনের মধ্যে ৮ জন পুরুষ ও ৩ জন নারী ছিলেন।
বিজিবি জানায়, ভোর সাড়ে ৪টার দিকে বিএসএফ সদস্যরা ওই ব্যক্তিদের বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করলে সীমান্তে দায়িত্ব পালনরত বিজিবি সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে বাধা দেয়। এতে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং ওই ব্যক্তিদের ভারতীয় ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশইনের ঘটনা প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন সীমান্তে পুশইনের একাধিক চেষ্টা লক্ষ্য করা গেলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিজিবির তৎপরতায় তা প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট বাহিনী সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।

আপনার মতামত লিখুন