রাজধানীর উত্তরা এলাকার ব্যস্ততম বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলোর অন্যতম বিএনএস সেন্টার শপিং মলের সামনে পথচারীদের নিরাপদ পারাপারের জন্য নির্মিত ফুট ওভারব্রিজটি এখন হকারদের দখলে চলে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সেতুর ওপর সারিবদ্ধভাবে বসছে বিভিন্ন ধরনের দোকান। এতে পথচারীদের চলাচলে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।
সরেজমিনে দেখা যায়, ফুট ওভারব্রিজের উভয় পাশে পোশাক, প্রসাধনী, মোবাইল অ্যাকসেসরিজ, খেলনা, খাদ্যপণ্যসহ বিভিন্ন সামগ্রীর অস্থায়ী দোকান বসানো হয়েছে। অনেক দোকানদার প্রতিদিন একই স্থানে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। ফলে সেতুর উল্লেখযোগ্য অংশ দখল হয়ে যাওয়ায় পথচারীদের চলাচলের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা থাকছে না।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে একই ব্যক্তিরা একই স্থানে ব্যবসা করে আসছেন। মাঝে মধ্যে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হলেও কয়েক ঘণ্টা বা একদিন পরই আগের অবস্থায় ফিরে আসে সবকিছু। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, কারা এই অবৈধ ব্যবসার পেছনে প্রভাব বা সহযোগিতা দিচ্ছে?
পথচারীরা জানান, ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণের মূল উদ্দেশ্য ছিল নিরাপদে রাস্তা পারাপার নিশ্চিত করা। কিন্তু বর্তমানে হকারদের কারণে অনেকেই বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়ে সড়ক দিয়ে পারাপার করছেন। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় ব্যবসায়ী বলেন, "এখানে যারা বসে তারা নতুন নয়। বছরের পর বছর একই লোকজন একই জায়গায় ব্যবসা করছে। নিশ্চয়ই কোনো না কোনোভাবে তারা সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে, না হলে এতদিন টিকে থাকা সম্ভব হতো না।"
নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, ফুট ওভারব্রিজ ও ফুটপাত জনসাধারণের চলাচলের জন্য সংরক্ষিত স্থান। এসব স্থানে অবৈধ দখল শুধু জনভোগান্তিই সৃষ্টি করে না, বরং নগর ব্যবস্থাপনাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।
স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা ফুট ওভারব্রিজটি হকারমুক্ত রাখতে নিয়মিত নজরদারি এবং দায়ীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, সাময়িক উচ্ছেদ নয়, স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে হলে হকারদের পুনর্বাসনের পাশাপাশি অবৈধ দখলের পেছনে থাকা প্রভাবশালী চক্রকেও খুঁজে বের করতে হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
রাজধানীর উত্তরা এলাকার ব্যস্ততম বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলোর অন্যতম বিএনএস সেন্টার শপিং মলের সামনে পথচারীদের নিরাপদ পারাপারের জন্য নির্মিত ফুট ওভারব্রিজটি এখন হকারদের দখলে চলে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সেতুর ওপর সারিবদ্ধভাবে বসছে বিভিন্ন ধরনের দোকান। এতে পথচারীদের চলাচলে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।
সরেজমিনে দেখা যায়, ফুট ওভারব্রিজের উভয় পাশে পোশাক, প্রসাধনী, মোবাইল অ্যাকসেসরিজ, খেলনা, খাদ্যপণ্যসহ বিভিন্ন সামগ্রীর অস্থায়ী দোকান বসানো হয়েছে। অনেক দোকানদার প্রতিদিন একই স্থানে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। ফলে সেতুর উল্লেখযোগ্য অংশ দখল হয়ে যাওয়ায় পথচারীদের চলাচলের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা থাকছে না।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে একই ব্যক্তিরা একই স্থানে ব্যবসা করে আসছেন। মাঝে মধ্যে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হলেও কয়েক ঘণ্টা বা একদিন পরই আগের অবস্থায় ফিরে আসে সবকিছু। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, কারা এই অবৈধ ব্যবসার পেছনে প্রভাব বা সহযোগিতা দিচ্ছে?
পথচারীরা জানান, ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণের মূল উদ্দেশ্য ছিল নিরাপদে রাস্তা পারাপার নিশ্চিত করা। কিন্তু বর্তমানে হকারদের কারণে অনেকেই বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়ে সড়ক দিয়ে পারাপার করছেন। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় ব্যবসায়ী বলেন, "এখানে যারা বসে তারা নতুন নয়। বছরের পর বছর একই লোকজন একই জায়গায় ব্যবসা করছে। নিশ্চয়ই কোনো না কোনোভাবে তারা সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে, না হলে এতদিন টিকে থাকা সম্ভব হতো না।"
নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, ফুট ওভারব্রিজ ও ফুটপাত জনসাধারণের চলাচলের জন্য সংরক্ষিত স্থান। এসব স্থানে অবৈধ দখল শুধু জনভোগান্তিই সৃষ্টি করে না, বরং নগর ব্যবস্থাপনাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।
স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা ফুট ওভারব্রিজটি হকারমুক্ত রাখতে নিয়মিত নজরদারি এবং দায়ীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, সাময়িক উচ্ছেদ নয়, স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে হলে হকারদের পুনর্বাসনের পাশাপাশি অবৈধ দখলের পেছনে থাকা প্রভাবশালী চক্রকেও খুঁজে বের করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন