যশোরের শার্শা উপজেলায় বিয়ের আশ্বাস দিয়ে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে আলী রেজা রাজু (৩২) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তকে আটক করেছে পুলিশ।
আটক আলী রেজা রাজু শার্শা উপজেলার লাউতাড়া গ্রামের মৃত মোবারক হোসেনের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী তরুণী শার্শা সরকারি নাভারণ মহিলা কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। প্রায় এক বছর আগে ঘটকের মাধ্যমে রাজু ওই তরুণীকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। চার মাসের মধ্যে বিয়ে করবেন বলে আশ্বাস দেওয়ার পর তাদের মধ্যে নিয়মিত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ শুরু হয়। একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাত আনুমানিক ৯টার দিকে রাজু তরুণীর বাড়িতে গিয়ে তার শয়নকক্ষে প্রবেশ করেন। সেখানে বিয়ের প্রতিশ্রুতির সুযোগ নিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার পর তরুণী বিয়ের বিষয়ে চাপ দিলে অভিযুক্ত বিভিন্ন অজুহাতে বিষয়টি এড়িয়ে যেতে থাকেন। পরে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানানো হলে তারা অভিযুক্ত ও তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিয়ের উদ্যোগ নেন। তবে রাজু বিয়েতে অস্বীকৃতি জানান বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
এ ঘটনায় কয়েকজনকে সাক্ষী উল্লেখ করে শার্শা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগকারী জানান, স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হওয়ায় পারিবারিক সিদ্ধান্তে থানায় এজাহার দায়ের করা হয়।
শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হোসেন বলেন, ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে একটি ধর্ষণ মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলার প্রধান অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
যশোরের শার্শা উপজেলায় বিয়ের আশ্বাস দিয়ে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে আলী রেজা রাজু (৩২) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তকে আটক করেছে পুলিশ।
আটক আলী রেজা রাজু শার্শা উপজেলার লাউতাড়া গ্রামের মৃত মোবারক হোসেনের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী তরুণী শার্শা সরকারি নাভারণ মহিলা কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। প্রায় এক বছর আগে ঘটকের মাধ্যমে রাজু ওই তরুণীকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। চার মাসের মধ্যে বিয়ে করবেন বলে আশ্বাস দেওয়ার পর তাদের মধ্যে নিয়মিত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ শুরু হয়। একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাত আনুমানিক ৯টার দিকে রাজু তরুণীর বাড়িতে গিয়ে তার শয়নকক্ষে প্রবেশ করেন। সেখানে বিয়ের প্রতিশ্রুতির সুযোগ নিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার পর তরুণী বিয়ের বিষয়ে চাপ দিলে অভিযুক্ত বিভিন্ন অজুহাতে বিষয়টি এড়িয়ে যেতে থাকেন। পরে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানানো হলে তারা অভিযুক্ত ও তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিয়ের উদ্যোগ নেন। তবে রাজু বিয়েতে অস্বীকৃতি জানান বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
এ ঘটনায় কয়েকজনকে সাক্ষী উল্লেখ করে শার্শা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগকারী জানান, স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হওয়ায় পারিবারিক সিদ্ধান্তে থানায় এজাহার দায়ের করা হয়।
শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হোসেন বলেন, ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে একটি ধর্ষণ মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলার প্রধান অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন