দেশের স্বর্ণবাজারে স্বস্তির খবর এসেছে। টানা মূল্যবৃদ্ধির পর এবার উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে স্বর্ণের দাম। নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম কয়েক হাজার টাকা কমানো হয়েছে, যা সাধারণ ক্রেতাদের জন্য স্বস্তির বার্তা নিয়ে এসেছে।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে কাঁচা স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ায় নতুন করে স্বর্ণের মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমানো হয়েছে। ফলে স্বর্ণ কেনার ক্ষেত্রে ক্রেতাদের অতিরিক্ত ব্যয় কিছুটা কমবে।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দাম কমার খবরে অনেক ক্রেতাই জুয়েলারি দোকানগুলোতে ভিড় করছেন। বিশেষ করে বিয়ে ও বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানের জন্য যারা স্বর্ণ কেনার পরিকল্পনা করছিলেন, তাদের মধ্যে উৎসাহ দেখা গেছে।
ক্রেতারা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে স্বর্ণের ঊর্ধ্বমুখী দামের কারণে অনেকেই কেনাকাটা থেকে বিরত ছিলেন। নতুন করে দাম কমায় তারা স্বর্ণ কেনার সুযোগ পাচ্ছেন। তবে ভবিষ্যতে দাম আরও কমবে কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।
স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের দাম এবং ডলারের বিনিময় হার স্বর্ণের বাজারে বড় প্রভাব ফেলে। তাই বিশ্ববাজারের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে আগামী দিনে স্বর্ণের দামের গতিপ্রকৃতি।
দাম কমায় স্বর্ণবাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের আশা, নতুন মূল্য নির্ধারণের ফলে বাজারে ক্রেতার সংখ্যা বাড়বে এবং স্বর্ণ বিক্রিতেও গতি ফিরবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
দেশের স্বর্ণবাজারে স্বস্তির খবর এসেছে। টানা মূল্যবৃদ্ধির পর এবার উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে স্বর্ণের দাম। নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম কয়েক হাজার টাকা কমানো হয়েছে, যা সাধারণ ক্রেতাদের জন্য স্বস্তির বার্তা নিয়ে এসেছে।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে কাঁচা স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ায় নতুন করে স্বর্ণের মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমানো হয়েছে। ফলে স্বর্ণ কেনার ক্ষেত্রে ক্রেতাদের অতিরিক্ত ব্যয় কিছুটা কমবে।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দাম কমার খবরে অনেক ক্রেতাই জুয়েলারি দোকানগুলোতে ভিড় করছেন। বিশেষ করে বিয়ে ও বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানের জন্য যারা স্বর্ণ কেনার পরিকল্পনা করছিলেন, তাদের মধ্যে উৎসাহ দেখা গেছে।
ক্রেতারা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে স্বর্ণের ঊর্ধ্বমুখী দামের কারণে অনেকেই কেনাকাটা থেকে বিরত ছিলেন। নতুন করে দাম কমায় তারা স্বর্ণ কেনার সুযোগ পাচ্ছেন। তবে ভবিষ্যতে দাম আরও কমবে কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।
স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের দাম এবং ডলারের বিনিময় হার স্বর্ণের বাজারে বড় প্রভাব ফেলে। তাই বিশ্ববাজারের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে আগামী দিনে স্বর্ণের দামের গতিপ্রকৃতি।
দাম কমায় স্বর্ণবাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের আশা, নতুন মূল্য নির্ধারণের ফলে বাজারে ক্রেতার সংখ্যা বাড়বে এবং স্বর্ণ বিক্রিতেও গতি ফিরবে।

আপনার মতামত লিখুন