জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট পেশ করা হচ্ছে বৃহস্পতিবার (১১ জুন)। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই বাজেট উপস্থাপন করবেন। প্রস্তাবিত বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের এটি প্রথম বাজেট এবং দেশের ৫৫তম জাতীয় বাজেট। সরকারের অগ্রাধিকার হিসেবে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ব্যবসা-বাণিজ্যে নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে অর্থনীতিকে ‘ট্রিলিয়ন ডলার’ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত বাজেটে মোট রাজস্ব আহরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। অবশিষ্ট অর্থ অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণ থেকে সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। বাজেট ঘাটতি দাঁড়াতে পারে ২ লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির প্রায় ৩ দশমিক ৬ শতাংশ।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বাজেটে উদ্যোক্তা উন্নয়ন তহবিলে ২২৫ কোটি টাকা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য ২ হাজার কোটি টাকার তহবিল রাখার প্রস্তাব থাকতে পারে। সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামোর আংশিক বাস্তবায়নের ঘোষণাও আসতে পারে।
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে, যা ২৫ লাখ নাগরিককে অন্তর্ভুক্ত করতে পারে। পাশাপাশি ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডসহ নতুন কর্মসূচি যুক্ত করার পাশাপাশি বিদ্যমান সামাজিক সুরক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।
নতুন বাজেটে বিদেশে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। এছাড়া জিডিপির আকার ধরা হয়েছে ৬৮ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা এবং প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ৬ দশমিক ৫ শতাংশ। মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যও নির্ধারণ করা হয়েছে।
ব্যবসা পরিচালনা সহজ করতে লাইসেন্স, অনুমোদন ও কর ব্যবস্থায় সংস্কার এবং ‘বাংলাবিজ’ নামে একটি ওয়ান-স্টপ ডিজিটাল সার্ভিস চালুর পরিকল্পনাও বাজেটে অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। যুবসমাজকে মাদক ও সন্ত্রাস থেকে দূরে রাখতে সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে উৎসাহ দিতে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট পেশ করা হচ্ছে বৃহস্পতিবার (১১ জুন)। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই বাজেট উপস্থাপন করবেন। প্রস্তাবিত বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের এটি প্রথম বাজেট এবং দেশের ৫৫তম জাতীয় বাজেট। সরকারের অগ্রাধিকার হিসেবে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ব্যবসা-বাণিজ্যে নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে অর্থনীতিকে ‘ট্রিলিয়ন ডলার’ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত বাজেটে মোট রাজস্ব আহরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। অবশিষ্ট অর্থ অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণ থেকে সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। বাজেট ঘাটতি দাঁড়াতে পারে ২ লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির প্রায় ৩ দশমিক ৬ শতাংশ।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বাজেটে উদ্যোক্তা উন্নয়ন তহবিলে ২২৫ কোটি টাকা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য ২ হাজার কোটি টাকার তহবিল রাখার প্রস্তাব থাকতে পারে। সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামোর আংশিক বাস্তবায়নের ঘোষণাও আসতে পারে।
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে, যা ২৫ লাখ নাগরিককে অন্তর্ভুক্ত করতে পারে। পাশাপাশি ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডসহ নতুন কর্মসূচি যুক্ত করার পাশাপাশি বিদ্যমান সামাজিক সুরক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।
নতুন বাজেটে বিদেশে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। এছাড়া জিডিপির আকার ধরা হয়েছে ৬৮ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা এবং প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ৬ দশমিক ৫ শতাংশ। মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যও নির্ধারণ করা হয়েছে।
ব্যবসা পরিচালনা সহজ করতে লাইসেন্স, অনুমোদন ও কর ব্যবস্থায় সংস্কার এবং ‘বাংলাবিজ’ নামে একটি ওয়ান-স্টপ ডিজিটাল সার্ভিস চালুর পরিকল্পনাও বাজেটে অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। যুবসমাজকে মাদক ও সন্ত্রাস থেকে দূরে রাখতে সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে উৎসাহ দিতে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন