জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রক্রিয়াকে আরও টেকসই ও মসৃণ করতে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) অধিকতর সহযোগিতা কামনা করেছে বাংলাদেশ।
বুধবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ইউএনডিপি, ইউএনএফপিএ ও ইউএনওপিএসের নির্বাহী বোর্ডের বার্ষিক অধিবেশনে এ আহ্বান জানান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী।
বক্তব্যে তিনি বলেন, চলতি বছরের জাতীয় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্থিতিশীল ও অংশগ্রহণমূলক গণতান্ত্রিক শাসনের নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। ভোটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ইউএনডিপির ‘ব্যালট (BALLOT) প্রকল্প’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
নবনির্বাচিত সরকারের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ক্ষেত্র—সুশাসন প্রতিষ্ঠা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আইনের শাসন সুসংহত করার লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ইউএনডিপির সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রদূত নোমান চৌধুরী।
তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। এ কারণে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (জিসিএফ) এবং গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট ফ্যাসিলিটি (জিইএফ)সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জলবায়ু তহবিলে বাংলাদেশের প্রবেশাধিকার বাড়াতে ইউএনডিপির কারিগরি সহায়তা সম্প্রসারণ প্রয়োজন।
জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করা এবং এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক অংশীদারদের আরও সক্রিয় ভূমিকার ওপরও গুরুত্বারোপ করে বাংলাদেশ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রক্রিয়াকে আরও টেকসই ও মসৃণ করতে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) অধিকতর সহযোগিতা কামনা করেছে বাংলাদেশ।
বুধবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ইউএনডিপি, ইউএনএফপিএ ও ইউএনওপিএসের নির্বাহী বোর্ডের বার্ষিক অধিবেশনে এ আহ্বান জানান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী।
বক্তব্যে তিনি বলেন, চলতি বছরের জাতীয় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্থিতিশীল ও অংশগ্রহণমূলক গণতান্ত্রিক শাসনের নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। ভোটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ইউএনডিপির ‘ব্যালট (BALLOT) প্রকল্প’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
নবনির্বাচিত সরকারের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ক্ষেত্র—সুশাসন প্রতিষ্ঠা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আইনের শাসন সুসংহত করার লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ইউএনডিপির সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রদূত নোমান চৌধুরী।
তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। এ কারণে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (জিসিএফ) এবং গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট ফ্যাসিলিটি (জিইএফ)সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জলবায়ু তহবিলে বাংলাদেশের প্রবেশাধিকার বাড়াতে ইউএনডিপির কারিগরি সহায়তা সম্প্রসারণ প্রয়োজন।
জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করা এবং এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক অংশীদারদের আরও সক্রিয় ভূমিকার ওপরও গুরুত্বারোপ করে বাংলাদেশ।

আপনার মতামত লিখুন