ডেস্ক রিপোর্ট:
জাতীয় বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, জনগণ সরকারকে বাজেট বাস্তবায়নের নামে কোনো ধরনের ছলচাতুরী, দুর্নীতি ও অপচয়ের অধিকার দেয়নি।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক সংকট, মূল্যস্ফীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির বাস্তবতায় প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবসম্মত ও জনকল্যাণমুখী হওয়া জরুরি। বাজেটের প্রতিটি টাকা জনগণের কল্যাণে ব্যয় করতে হবে এবং উন্নয়ন প্রকল্পের নামে অপচয় কিংবা অনিয়ম কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
রেজাউল করীম বলেন, জনগণের করের টাকায় পরিচালিত রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সরকারের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব। বাজেট বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপে জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যাতে জনগণ প্রত্যাশিত সেবা ও উন্নয়নের সুফল পায়।
তিনি আরও বলেন, দুর্নীতি, লুটপাট ও অপচয় বন্ধ না হলে বাজেটের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে না। তাই সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের পাশাপাশি কার্যকর নজরদারি ব্যবস্থাও জোরদার করতে হবে।
ইসলামী আন্দোলনের আমির বলেন, দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী করতে উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও জনকল্যাণমূলক খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নিতে হবে। জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েই বাজেট বাস্তবায়ন করতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
ডেস্ক রিপোর্ট:
জাতীয় বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, জনগণ সরকারকে বাজেট বাস্তবায়নের নামে কোনো ধরনের ছলচাতুরী, দুর্নীতি ও অপচয়ের অধিকার দেয়নি।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক সংকট, মূল্যস্ফীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির বাস্তবতায় প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবসম্মত ও জনকল্যাণমুখী হওয়া জরুরি। বাজেটের প্রতিটি টাকা জনগণের কল্যাণে ব্যয় করতে হবে এবং উন্নয়ন প্রকল্পের নামে অপচয় কিংবা অনিয়ম কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
রেজাউল করীম বলেন, জনগণের করের টাকায় পরিচালিত রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সরকারের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব। বাজেট বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপে জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যাতে জনগণ প্রত্যাশিত সেবা ও উন্নয়নের সুফল পায়।
তিনি আরও বলেন, দুর্নীতি, লুটপাট ও অপচয় বন্ধ না হলে বাজেটের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে না। তাই সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের পাশাপাশি কার্যকর নজরদারি ব্যবস্থাও জোরদার করতে হবে।
ইসলামী আন্দোলনের আমির বলেন, দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী করতে উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও জনকল্যাণমূলক খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নিতে হবে। জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েই বাজেট বাস্তবায়ন করতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

আপনার মতামত লিখুন