রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় আসামির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। বহুল আলোচিত এ মামলার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহত শিশুটির পরিবার।
রায় ঘোষণার পর রামিসার বাবা গণমাধ্যমকে বলেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আদালতের এই রায়ে তারা ন্যায়বিচার পেয়েছেন বলে মনে করছেন। তবে তিনি দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানিয়ে বলেন, “আমার মেয়েকে আর ফিরে পাব না। কিন্তু দোষীর শাস্তি দ্রুত কার্যকর হলে সমাজে একটি বার্তা যাবে যে এমন জঘন্য অপরাধের কোনো ক্ষমা নেই।”
পরিবারের সদস্যরা জানান, রামিসার মৃত্যুর পর থেকে তারা মানসিকভাবে চরম কষ্টের মধ্যে ছিলেন। আদালতের রায়ে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও চূড়ান্ত বিচার নিশ্চিত করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
এদিকে, রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। তারা শিশু ধর্ষণ ও হত্যার মতো অপরাধের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার এবং সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।
উল্লেখ্য, পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হলে ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত এ মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় আসামির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। বহুল আলোচিত এ মামলার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহত শিশুটির পরিবার।
রায় ঘোষণার পর রামিসার বাবা গণমাধ্যমকে বলেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আদালতের এই রায়ে তারা ন্যায়বিচার পেয়েছেন বলে মনে করছেন। তবে তিনি দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানিয়ে বলেন, “আমার মেয়েকে আর ফিরে পাব না। কিন্তু দোষীর শাস্তি দ্রুত কার্যকর হলে সমাজে একটি বার্তা যাবে যে এমন জঘন্য অপরাধের কোনো ক্ষমা নেই।”
পরিবারের সদস্যরা জানান, রামিসার মৃত্যুর পর থেকে তারা মানসিকভাবে চরম কষ্টের মধ্যে ছিলেন। আদালতের রায়ে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও চূড়ান্ত বিচার নিশ্চিত করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
এদিকে, রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। তারা শিশু ধর্ষণ ও হত্যার মতো অপরাধের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার এবং সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।
উল্লেখ্য, পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হলে ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত এ মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন।

আপনার মতামত লিখুন