রাজধানীর তুরাগে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হাসান তালুকদার (৪৮) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তবে নিহতের পর ঘটনাটি আইনগত প্রক্রিয়ায় না নিয়ে, ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে আপোষের মাধ্যমে ধামাচাপা দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তুরাগ থানার নলভোগ জোড়া টাওয়ার ও কবরস্থান সংলগ্ন এলাকায় এই মর্মান্তিক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনাটি ঘটে। এতে গুরুতর আহত হন পিরোজপুর জেলার সন্তান ও বর্তমানে নলভোগ এলাকার বাসিন্দা হাসান তালুকদার। ঘটনার পর তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় শিনশিন জাপান, মনসুর আলী মেডিকেল, উত্তরা আধুনিক, কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রীতে নিয়ে যাওয়া হলে পরবর্তীতে রেফার করে বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
মোটরসাইকেল চালক তুরাগ থানাধীন নলভোগ এলাকার সাইদুর রহমান এর ছেলে মারজুক (১৬)।
এলাকাবাসী জানান মারজুক সবসময় দ্রুতগতিতে মোটরসাইকেল চালায়, দুর্ঘটনার পেছনে সাইদুর রহমানের নেশাগ্রস্ত ছেলে মারজুকের সম্পৃক্ততা রয়েছে। মারজুক মোটরসাইকেলটি বেপরোয়া গতিতে চালিয়ে যাচ্ছিলো।
ঘটনার পর নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এলেও একটি প্রভাবশালী চক্র পুরো বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে রেখে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে রফা-দফা করে ধামাচাপা দেওয়ার জোর তৎপরতা চালাচ্ছে।এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বাসায় গেলে তাদেরকে পাওয়া যায়নি । ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা ।
মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মরিয়ম মুঠোফোনে জানান সড়ক দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমি গিয়ে লাশ ঢাকা মেডিকেলের কলেজের মর্গে পাই, যারা এক্সিডেন্ট করেছে তারা হসপিটালে নিয়ে যাই এবং আমাদেরকে মীমাংসা বাবদ ২০ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও পরবর্তী সময় ৫ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দেয়। পুলিশকে এই বিষয়টি জানানো হয়েছিল , অভিযোগ দিলে যদি লাশ কাটাছেঁড়া করে তাই লিখিত অভিযোগ দেইনি।
সচেতন মহলের মতে, সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর মতো ঘটনা ৫ লক্ষ টাকায় মিমাংসা করা খুবই নিন্দনীয় এমনকি মোটা অঙ্কের টাকায় আপোষ করা বেআইনি।
এ বিষয়ে তুরাগ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মারা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন জানান, শুনেছি ঢাকা মেডিকেল কলেজে মারা গেছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
তুরাগে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় বৃদ্ধার মৃত্যু, ধামাচাপার অভিযোগ








