রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় অবস্থিত একটি আমবাগানে ফেলে রাখা অবস্থায় ৪২টি অবিস্ফোরিত ককটেল খুঁজে পেয়েছে স্পেশাল রিজার্ভ ব্যাটালিয়ন, যাকে সংক্ষেপে এসআরবি বলা হয়।
গত শুক্রবার, ৯ অক্টোবর তারিখে ভোরবেলা একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এই বিস্ফোরকসদৃশ জিনিসগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। এই বিষয়টি সংবাদমাধ্যমের কাছে নিশ্চিত করেছেন এসআরবি-১০-এর সহকারী পরিচালক এবং সহকারী পুলিশ সুপার তপন সরকার।
পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, পাংশা পৌরসভার বিষ্ণুপুর নামক এলাকার একটি আমবাগানে ওই ককটেলগুলো রেখে দেওয়া হয়েছিল। গোপন একটি তথ্যের ভিত্তিতে এসআরবি-১০-এর ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি দল এই অভিযানটি চালায়। শুরুর দিকে এলাকাটিতে মাদক এবং অন্যান্য নিষিদ্ধ পণ্য কেনাবেচার তথ্য পাওয়ার ভিত্তিতেই অভিযান শুরু করা হয়েছিল। অভিযান পরিচালনার সময় আমবাগানটিতে ফেলে রাখা অবস্থাতেই ককটেলগুলো পাওয়া যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া ৪২টি ককটেলই অবিস্ফোরিত অবস্থায় ছিল।
একসঙ্গে এতোগুলো ককটেল কেন রাখা হয়েছিল, আর কারা সেগুলো সেখানে এনে রেখেছিল, সেই বিষয়ে এখনো কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এসআরবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বড় ধরনের কোনো নাশকতার উদ্দেশ্যেই ককটেলগুলো মজুত করা হয়েছিল কি না, সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে নাশকতার কোনো পরিকল্পনা ছিল বলে তদন্তকারী সংস্থা এখনো কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি। উদ্ধার অভিযান শেষ হওয়ার পরও এলাকাটিতে গোয়েন্দা নজরদারি চালু রয়েছে। ককটেলগুলোর আসল উৎস কী এবং এগুলো কোন সম্ভাব্য ব্যক্তিরা ব্যবহার করতে পারে, তা শনাক্ত করার চেষ্টা অব্যাহত আছে।
এই ঘটনাটি রাজবাড়ী এবং আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন ধরনের উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে একটি আমবাগানে এতসংখ্যক অবিস্ফোরিত ককটেল কীভাবে মজুত করা সম্ভব হলো, সেটি তদন্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত শেষ হওয়ার পরই বোঝা যাবে, এসব ককটেলের সঙ্গে কোনো অপরাধী চক্রের অথবা পরিকল্পিত নাশকতার সম্পর্ক আছে কি না।
রাজবাড়ীর পাংশার আমবাগানে ৪২টি অবিস্ফোরিত ককটেল, নাশকতার আশঙ্কায় তদন্ত
রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় অবস্থিত একটি আমবাগানে ফেলে রাখা অবস্থায় ৪২টি অবিস্ফোরিত ককটেল খুঁজে পেয়েছে স্পেশাল রিজার্ভ ব্যাটালিয়ন, যাকে সংক্ষেপে এসআরবি বলা হয়।








