প্রশাসন

পাঁচ টন প্লাস্টিকে তৈরি ৫০ ফুটের ভাস্কর্য, সৈকত পরিষ্কার রাখার আহ্বান

⎙ প্রিন্ট
পাঁচ টন প্লাস্টিকে তৈরি ৫০ ফুটের ভাস্কর্য, সৈকত পরিষ্কার রাখার আহ্বান

দেশের প্রধান পর্যটনকেন্দ্র কক্সবাজারে প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ক্রমেই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) হিসাব অনুযায়ী, শহরটিতে প্রতিদিন প্রায় ৩৪ দশমিক ৫ টন প্লাস্টিক বর্জ্য তৈরি হয়। সোমবার (২৬ অক্টোবর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড জানিয়েছে, পর্যটনের মৌসুমে দৈনিক দর্শনার্থীর সংখ্যা এক লাখ থেকে দেড় লাখে পৌঁছালে সৈকত ও আশপাশের এলাকায় বর্জ্যের চাপ আরও বেড়ে যায়।

হোটেল মালিক সমিতির হিসাবে, কক্সবাজারে বছরে আনুমানিক ৪০ থেকে ৫০ লাখ পর্যটক আসেন। লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী সৈকতের বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া প্লাস্টিকের বোতল, খাবারের মোড়ক ও অন্যান্য সামগ্রী বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে কঠিন করে তুলছে। এই পরিস্থিতি তুলে ধরতে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রায় পাঁচ টন পরিত্যক্ত প্লাস্টিক ব্যবহার করে ৫০ ফুট উচ্চতার একটি প্রতীকী ভাস্কর্য স্থাপন করা হয়েছে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবদুল মান্নান জানিয়েছেন, পর্যটকদের সচেতন করার পাশাপাশি সৈকতে ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট পাত্রের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। স্বেচ্ছাসেবকেরাও প্লাস্টিক সংগ্রহ ও সচেতনতা কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্লাস্টিক বর্জ্য সমুদ্রে পৌঁছালে সামুদ্রিক প্রাণী ও পরিবেশের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে। তবে সচেতনতামূলক ভাস্কর্য স্থাপনের পর বর্জ্যের পরিমাণ বাস্তবে কতটা কমেছে, সেই ফলাফল এখনো যাচাই করা হয়নি। 

সম্পর্কিত সংবাদ