লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের বাসিন্দা আলেয়া বেগম নামের এক অসহায় মা অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে কোনোমতে দিনের একবেলা খাবার জোগাড় করতে পারলেও, নিজের পরিবারের দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে এখন তিনি সম্পূর্ণ দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। দারিদ্র্যের তীব্র চাপ আর জীবনের নির্মম সংগ্রামে একেবারে জর্জরিত হয়ে অবশেষে সমাজের সব স্তরের মানবতাবাদী মানুষ এবং বিত্তবানদের কাছে তিনি সহায়তার জন্য হৃদয়বিদারক আকুল আবেদন জানিয়েছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পরিবারে উপার্জন করার মতো একমাত্র সদস্যও না থাকায় সংসারের সমস্ত দায়িত্ব এসে পড়েছে এই নারীর কাঁধেই। সারাদিন মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে পরিশ্রম করে যে অল্প আয় হয়, তা দিয়ে চাল-ডাল কেনার পর আর ওষুধ কিংবা অন্যান্য মৌলিক চাহিদা মেটানো একেবারেই সম্ভব হয়ে উঠছে না। বিশেষ করে সন্তানদের ভবিষ্যৎ, তাদের পড়াশোনা কিংবা অসুস্থতার চিকিৎসার খরচ বহন করা তাঁর কাছে এক ভীষণ কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অশ্রুসিক্ত চোখে আকুল আবেদন জানিয়ে মহিষখোচা ইউনিয়নের ওই স্বামীহারা নারী বলেন, "আগের মতো আর শরীরে শক্তি পাই না, কাজ করতে গেলে কষ্ট হয়। কিন্তু কাজ না করলে সন্তানদের মুখে দিনে দুবেলা দুমুঠো ভাত তুলে দিতে পারব না। তাদের একটু ভালো রাখার জন্যই আমি সবার সহযোগিতা চাই।"
সরকারি কিংবা ব্যক্তিগত সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে যদি এমন অসহায় আলেয়ার পাশে দাঁড়ানো যায়, তাহলে তিনি আবার নতুন করে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখতে পারবেন। ওই অসহায় আলেয়ার জীবনসংগ্রাম কিছুটা হলেও সহজ করে তুলতে বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন এলাকার মানুষ।
অন্যের বাড়িতে কাজ করে চলে সংসার, সাহায্য চেয়ে অসহায় মায়ের আকুতি
লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের বাসিন্দা আলেয়া বেগম নামের এক অসহায় মা অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে কোনোমতে দিনের একবেলা খাবার জোগাড় করতে পারলেও,








