সারাদেশ

দর্শনা থানা পুলিশের হেফাজত থেকে হাতকড়া পরা অবস্থায় আ.লীগ নেতার পলায়ন

চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থানাধীন চন্ডিপুর গ্ৰামে পুলিশের হেফাজত থেকে হাতকড়া পরিহিত অবস্থায় এক আসামি পালিয়ে গেছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে চন্ডিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

⎙ প্রিন্ট
দর্শনা থানা পুলিশের হেফাজত থেকে হাতকড়া পরা অবস্থায় আ.লীগ নেতার পলায়ন

চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থানাধীন চন্ডিপুর গ্ৰামে পুলিশের হেফাজত থেকে হাতকড়া পরিহিত অবস্থায় এক আসামি পালিয়ে গেছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে চন্ডিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।পুলিশের হাতকড়া সহ পালানো আসামি আবু ছিদ্দিক (৬৫) কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের চন্ডিপুর ২ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ঐ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য এবং চন্ডিপুর গ্রামের মৃত উম্বাদ আলীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে একটি পুরোনো মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়,আবু ছিদ্দিককে পুরনো একটি নাশকতা মামলার ওয়ারেন্টি হিসাবে গ্রেপ্তারের জন্য বুধবার রাতে দর্শনা থানার একটি দল চন্ডিপুর এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানকালে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে হাতে হাতকড়া পরিয়ে দেয়। এ সময় সেখানে থাকা আসামির আত্মীয়-স্বজনরা থাকে নিয়ে যেতে বাধাদিলে সেই সুযোগে ওই আসামি সেখান থেকে দৌড়ে পালিয়ে যান। এসময় পুলিশের দুই সদস্য আহত হন। 
ঘটনার পর থেকে আ.লীগ নেতা আবু ছিদ্দিককে আটক করার জন্য চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ তল্লাশি অভিযান শুরু করা হয়েছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় পুলিশি নজরদারি ও অভিযান চালানো হচ্ছে। এছাড়া ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে নারীসহ ৪ জনকে আটক করে থানায় নেয়া হয়েছে। আটককৃতরা হলেন,চন্ডিপুর হালদারপাড়ার রবি হালদারের ছেলে লক্ষ্মণ, সেলিমের ছেলে ফিরোজ, সঞ্জয় কুমারের স্ত্রী কণা এবং সঞ্জিতের স্ত্রী সোনালী।
দামুড়হুদা-জীবননগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নুরুল্লাহ বলেন, আওয়ামী লীগ নেতা আবু ছিদ্দিককে আটক করতে গেলে পরিবারের লোকজন পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ সময় আমাদের দুইজন পুলিশ সদস্য আহত হন। অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
দর্শনা থানার ওসি (তদন্ত) মো. মুখলেসুর রহমান বলেন, পুলিশের হেফাজত থেকে একজন আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সম্পর্কিত সংবাদ