রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে বিরোধী রাজনৈতিক দলের ওপর নজরদারির সম্ভাবনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। মঙ্গলবার রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি প্রশ্ন তোলেন, রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলো কোনো রাজনৈতিক দলের স্বার্থে ব্যবহৃত হবে, নাকি দেশের সব নাগরিকের প্রতি সমানভাবে দায়িত্ব পালন করবে। বুধবার একাধিক সংবাদমাধ্যম তাঁর বক্তব্য নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
হাসনাত আবদুল্লাহর মতে, গোয়েন্দা সংস্থাকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবহারের বার্তা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করে। তিনি অতীতের রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনা টেনে অভিযোগ করেন, এমন প্রবণতা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। একই পোস্টে তিনি ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড কর্মসূচিতে ক্রয়প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তবে এসব কর্মসূচিতে অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে—এমন স্বাধীন তদন্তের ফল এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।
প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহীর জনসভায় দেওয়া বক্তব্যের পর হাসনাতের এই প্রতিক্রিয়া রাজনৈতিক বিতর্ককে নতুন মাত্রা দিয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রকৃত উদ্দেশ্য, বিরোধী দলের ওপর কোনো বেআইনি নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কি না এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর অবস্থান পৃথকভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। হাসনাতের অভিযোগকে তাঁর রাজনৈতিক মূল্যায়ন হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, স্বাধীনভাবে প্রমাণিত সরকারি কর্মকাণ্ড হিসেবে নয়।








