রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা নিয়ে কয়েকটি বিরোধী রাজনৈতিক দলের অবস্থানের সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার বিকেলে তিনি বলেন, জুলাই শহীদদের স্মরণে আগের দিন ঢাকায় উদ্বোধন করা স্মৃতিস্তম্ভের অনুষ্ঠানে সব রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও কয়েকটি দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত হননি। এ অনুপস্থিতিকে রাজনৈতিক অঙ্গীকারের সঙ্গে কাজের অমিল হিসেবে তুলে ধরেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, দেশের ভেতরে অস্থিরতা সৃষ্টির পেছনে সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ সরবরাহ করা হচ্ছে বলে গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে। কয়েকটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানে শ্রমিক অসন্তোষ তৈরির চেষ্টা এবং কিছু রাজনৈতিক গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও তিনি এই অভিযোগ যুক্ত করেন। তবে তাঁর বক্তব্যে উত্থাপিত অর্থায়ন ও সংশ্লিষ্টতার অভিযোগের স্বাধীন প্রমাণ বা অভিযুক্ত পক্ষের নির্দিষ্ট জবাব এই প্রতিবেদন প্রস্তুতের সময় যাচাই করা যায়নি। ফলে এগুলোকে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করতে হবে।
জনসভায় তারেক রহমান কৃষকদের সহযোগিতা, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড এবং কর্মসংস্থান বাড়াতে সরকারের পরিকল্পনার কথাও বলেন। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে আগামী পাঁচ বছর সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচিতে জনগণের সমর্থন চান তিনি। এদিন রাজশাহীর জনসভা থেকে আখচাষিদের প্রণোদনা বিতরণের কার্যক্রমও উদ্বোধন করা হয়। তবে রাজনৈতিক দলের ভূমিকা ও অভিযোগ সম্পর্কে স্বতন্ত্র মূল্যায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য ও প্রমাণ যাচাই প্রয়োজন।








