সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের বিনামূল্যে জরুরি চিকিৎসা, উদ্ধারকাজে সহায়তাকারীদের আইনি সুরক্ষা এবং ট্রাফিক আইন বারবার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে দ্বিগুণ শাস্তির প্রস্তাব রেখে ‘সড়ক নিরাপত্তা আইন ২০২৬’-এর একটি খসড়া প্রস্তুত করেছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। বুধবার বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার বিশেষ প্রতিবেদনে খসড়াটির বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। প্রস্তাবিত আইনে ১৫টি অধ্যায়, ১১১টি ধারা ও দুটি তফসিল রয়েছে। তবে খসড়াটি এখনো আইন হিসেবে অনুমোদিত হয়নি।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের সংস্থাপন শাখার উপসচিব আল-আমীন মো. নুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, খসড়াটি মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য শিগগির উপস্থাপন করা হবে। এতে দুর্ঘটনার পর জরুরি সময়ে আহতদের অগ্রিম অর্থ ছাড়াই প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার বিধান রাখার প্রস্তাব রয়েছে। চালকদের জন্য ডিমেরিট পয়েন্ট ব্যবস্থা, ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক চিহ্নিত করা, শিশুদের নিরাপদ যাতায়াত এবং পথচারীবান্ধব অবকাঠামোর বিষয়ও খসড়ায় গুরুত্ব পেয়েছে।
প্রস্তাবিত আইনটি কার্যকর হলে দুর্ঘটনা প্রতিরোধের পাশাপাশি আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসা এবং উদ্ধারকারীদের আইনি নিরাপত্তার জন্য পৃথক কাঠামো তৈরি হতে পারে। তবে ২০১৮ সালের সড়ক পরিবহন আইনেও একই অপরাধ পুনরায় সংঘটনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত শাস্তির বিধান রয়েছে। তাই পুনরাবৃত্ত অপরাধে শাস্তির ধারণাটিকে সম্পূর্ণ নতুন বলা যাবে না। নতুন খসড়ার চূড়ান্ত ভাষা, মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত এবং সংসদে আইন পাস হওয়ার পরই কোন বিধান কার্যকর হবে, তা নিশ্চিত করা সম্ভব।








