আন্তর্জাতিক

অহিংসা দিবসে গান্ধীর আদর্শে শান্তির বিশ্ব গড়ার আহ্বান জাতিসংঘের

⎙ প্রিন্ট
অহিংসা দিবসে গান্ধীর আদর্শে শান্তির বিশ্ব গড়ার আহ্বান জাতিসংঘের
অহিংসা দিবসে গান্ধীর আদর্শে শান্তির বিশ্ব গড়ার আহ্বান জাতিসংঘের
আন্তর্জাতিক অহিংসা দিবস উপলক্ষে মহাত্মা গান্ধীর জীবন ও কর্মের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব। একই সঙ্গে বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান বিভাজন, উত্তেজনা ও সংঘাতের এই সময়ে সংলাপ, কূটনীতি এবং অহিংসার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

আগামী ২ অক্টোবর আন্তর্জাতিক অহিংসা দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, এই দিনে মহাত্মা গান্ধীর অসাধারণ জীবন ও উত্তরাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে। জীবনের পুরো সময় গান্ধী শান্তির নীতিতে অবিচল থেকে কীভাবে গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী পরিবর্তন আনা যায়, তার অনুপ্রেরণাদায়ী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। UN SGM International Day of Non…

বার্তায় বলা হয়, অন্যায় মোকাবিলায় বৈষম্য ও নিপীড়নের নিষ্ঠুরতা এবং সহিংসতার পথ অনুসরণ না করে সংলাপ ও অহিংসার পথ বেছে নেওয়ার শিক্ষা দিয়েছেন গান্ধী। পারস্পরিক বোঝাপড়ার সেতুবন্ধ তৈরি, মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং দীর্ঘস্থায়ী পরিবর্তন আনতে অহিংস পদ্ধতির কার্যকারিতা তিনি দেখিয়ে গেছেন। UN SGM International Day of Non…

বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতির প্রসঙ্গ তুলে জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, বিভাজন, উত্তেজনা ও সংঘাত যখন বাড়ছে, তখন গান্ধীর শিক্ষা নতুন করে জরুরি হয়ে উঠেছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে মানুষ দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে। দারিদ্র্য ও বৈষম্য ধনী ও দরিদ্র মানুষের মধ্যে ব্যবধান আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। UN SGM International Day of Non…

বার্তায় আরও বলা হয়, শান্তি ও উন্নয়নের মৌলিক ভিত্তি—জাতিসংঘ সনদ, মানবাধিকার, আন্তর্জাতিক আইন, কূটনীতি ও সংলাপ—উপেক্ষিত ও লঙ্ঘিত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্ববাসীকে সাহস, সহমর্মিতা, মর্যাদা ও অভিন্ন মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব। UN SGM International Day of Non…

তিনি বলেন, প্রকৃত সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে বিভাজন নিরসনে কাজ করতে হবে। মানুষের দুর্ভোগের অবসান ঘটিয়ে অহিংসার মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়ে তুলতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে। UN SGM International Day of Non…

জাতিসংঘ মহাসচিবের এবারের বার্তার মূল আহ্বান—সহিংসতার পরিবর্তে সংলাপ, সংঘাতের পরিবর্তে কূটনীতি এবং বিভাজনের পরিবর্তে মানবিক ঐক্যের পথ বেছে নেওয়া।

সম্পর্কিত সংবাদ