এপ্রিল মাসে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিলেও মে মাসে আবারও রপ্তানি আয়ে পতনের মুখে পড়েছে বাংলাদেশ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত মে মাসে দেশের রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৭ শতাংশ কমেছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈশ্বিক বাজারে চাহিদা কমে যাওয়া, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পে ক্রয়াদেশ হ্রাস পাওয়ার প্রভাব রপ্তানি আয়ের ওপর পড়েছে। ফলে এপ্রিলের ইতিবাচক ধারা মে মাসে ধরে রাখা সম্ভব হয়নি।
তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, এক মাসের এই পতন সামগ্রিক চিত্রকে পুরোপুরি নেতিবাচক করে না। চলতি অর্থবছরের সার্বিক রপ্তানি আয় এখনও প্রবৃদ্ধির ধারায় রয়েছে এবং বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতির উন্নতি হলে আগামী মাসগুলোতে রপ্তানি খাত আবারও শক্তিশালী অবস্থানে ফিরতে পারে।
রপ্তানিকারকরা আশা করছেন, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বাজারে চাহিদা বৃদ্ধি পেলে বছরের শেষ ভাগে রপ্তানি আয়ে নতুন গতি আসবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
এপ্রিল মাসে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিলেও মে মাসে আবারও রপ্তানি আয়ে পতনের মুখে পড়েছে বাংলাদেশ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত মে মাসে দেশের রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৭ শতাংশ কমেছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈশ্বিক বাজারে চাহিদা কমে যাওয়া, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পে ক্রয়াদেশ হ্রাস পাওয়ার প্রভাব রপ্তানি আয়ের ওপর পড়েছে। ফলে এপ্রিলের ইতিবাচক ধারা মে মাসে ধরে রাখা সম্ভব হয়নি।
তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, এক মাসের এই পতন সামগ্রিক চিত্রকে পুরোপুরি নেতিবাচক করে না। চলতি অর্থবছরের সার্বিক রপ্তানি আয় এখনও প্রবৃদ্ধির ধারায় রয়েছে এবং বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতির উন্নতি হলে আগামী মাসগুলোতে রপ্তানি খাত আবারও শক্তিশালী অবস্থানে ফিরতে পারে।
রপ্তানিকারকরা আশা করছেন, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বাজারে চাহিদা বৃদ্ধি পেলে বছরের শেষ ভাগে রপ্তানি আয়ে নতুন গতি আসবে।

আপনার মতামত লিখুন