দেশের কৃষি খাতে ডিজিটাল সেবা ও সরকারি সহায়তা সহজলভ্য করতে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি চালু করেছে সরকার। প্রাথমিকভাবে ৮ বিভাগের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ২২ হাজারের বেশি কৃষক, মৎস্যচাষি, প্রাণিসম্পদ খামারি ও লবণচাষির হাতে কৃষক কার্ড তুলে দেওয়া হয়েছে। উপকারভোগীদের মধ্যে অধিকাংশই ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক।
সংশ্লিষ্টরা জানান, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা সরকারি ভর্তুকি, কৃষিঋণ, কৃষি উপকরণ, প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য কৃষিসেবা সহজে গ্রহণ করতে পারবেন। একই সঙ্গে কৃষকদের একটি সমন্বিত ডিজিটাল তথ্যভান্ডার গড়ে তোলার কাজও এগিয়ে যাবে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, পাইলট প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নের পর পর্যায়ক্রমে দেশের আরও বিস্তৃত অঞ্চলে কৃষক কার্ড কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে। এর মাধ্যমে কৃষকদের কাছে সরকারি সহায়তা আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
দেশের কৃষি খাতে ডিজিটাল সেবা ও সরকারি সহায়তা সহজলভ্য করতে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি চালু করেছে সরকার। প্রাথমিকভাবে ৮ বিভাগের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ২২ হাজারের বেশি কৃষক, মৎস্যচাষি, প্রাণিসম্পদ খামারি ও লবণচাষির হাতে কৃষক কার্ড তুলে দেওয়া হয়েছে। উপকারভোগীদের মধ্যে অধিকাংশই ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক।
সংশ্লিষ্টরা জানান, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা সরকারি ভর্তুকি, কৃষিঋণ, কৃষি উপকরণ, প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য কৃষিসেবা সহজে গ্রহণ করতে পারবেন। একই সঙ্গে কৃষকদের একটি সমন্বিত ডিজিটাল তথ্যভান্ডার গড়ে তোলার কাজও এগিয়ে যাবে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, পাইলট প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নের পর পর্যায়ক্রমে দেশের আরও বিস্তৃত অঞ্চলে কৃষক কার্ড কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে। এর মাধ্যমে কৃষকদের কাছে সরকারি সহায়তা আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন