কুড়িগ্রামের সিতাইঝাড় গ্রামে একটি পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ গ্রামীণ সেতু ভেঙে ট্রলি খাদে পড়ে ছয়জন আহত হয়েছেন। রোববার (২৪ মে) দুপুরে পাঁচগাছী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, একটি খালি ট্রলিতে ছয়জন যাত্রী নিয়ে সেতুটি পার হওয়ার সময় হঠাৎ করে কাঠামোটি ভেঙে পড়ে। এতে ট্রলিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিচে পড়ে গেলে যাত্রীরা আহত হন। পরে আশপাশের লোকজন দ্রুত উদ্ধার কাজে এগিয়ে আসেন এবং ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় আহতদের কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. শামছুল ইসলাম জানান, প্রায় দুই দশক আগে নির্মিত সেতুটি দীর্ঘদিন ধরেই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। এরপরও এটি পাঁচগাছী ও বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের ভেলুর বাজার, নয়ারহাট, সিতাইঝাড় ও পাকারমাথাসহ আশপাশের অন্তত ২০ হাজার মানুষের চলাচলের প্রধান পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। সেতুটি ভেঙে যাওয়ার পর ওই রুটে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে, ফলে স্থানীয়দের দুর্ভোগ বেড়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মো. এনামুল হক বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও স্থানীয়রাই আহতদের আগেই হাসপাতালে নিয়ে যান।
এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা ও নতুন সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
কুড়িগ্রামের সিতাইঝাড় গ্রামে একটি পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ গ্রামীণ সেতু ভেঙে ট্রলি খাদে পড়ে ছয়জন আহত হয়েছেন। রোববার (২৪ মে) দুপুরে পাঁচগাছী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, একটি খালি ট্রলিতে ছয়জন যাত্রী নিয়ে সেতুটি পার হওয়ার সময় হঠাৎ করে কাঠামোটি ভেঙে পড়ে। এতে ট্রলিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিচে পড়ে গেলে যাত্রীরা আহত হন। পরে আশপাশের লোকজন দ্রুত উদ্ধার কাজে এগিয়ে আসেন এবং ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় আহতদের কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. শামছুল ইসলাম জানান, প্রায় দুই দশক আগে নির্মিত সেতুটি দীর্ঘদিন ধরেই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। এরপরও এটি পাঁচগাছী ও বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের ভেলুর বাজার, নয়ারহাট, সিতাইঝাড় ও পাকারমাথাসহ আশপাশের অন্তত ২০ হাজার মানুষের চলাচলের প্রধান পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। সেতুটি ভেঙে যাওয়ার পর ওই রুটে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে, ফলে স্থানীয়দের দুর্ভোগ বেড়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মো. এনামুল হক বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও স্থানীয়রাই আহতদের আগেই হাসপাতালে নিয়ে যান।
এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা ও নতুন সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন