জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, “বাংলাদেশ ও কাজী নজরুল ইসলাম এক অবিভাজ্য সত্তা।”
সোমবার (২৩ মে) বিকেলে নিজের ফেসবুক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের জনগণের পরম প্রিয়জন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকীতে তাঁর চির-অম্লান স্মৃতির প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। তাকে স্মরণ করছি অনিঃশেষ কৃতজ্ঞতার সঙ্গে। কামনা করি তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত।”
তিনি বলেন, দেশের ইতিহাসে নজরুলের আবির্ভাব ছিল “আলোকবর্তিকা” ও “দিকনির্দেশক বাতিঘরের” মতো। পরাধীন ও নিপীড়িত জাতিকে জাগিয়ে তুলতে যে অসাধারণ প্রতিভার প্রয়োজন ছিল, নজরুল ছিলেন সেই প্রত্যাশিত কণ্ঠস্বর।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, নজরুলের জীবন ছিল অন্যায়, শোষণ, বৈষম্য, সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মীয় গোঁড়ামির বিরুদ্ধে এক অবিরাম বিদ্রোহ। একই সঙ্গে মানবতা, স্বাধীনতা, নারীমুক্তি ও শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে তাঁর অবস্থান ছিল স্পষ্ট ও আপসহীন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, উপমহাদেশে পূর্ণ স্বাধীনতার দাবি তোলা প্রথম কবি, সাংবাদিক ও রাজনীতিকদের একজন ছিলেন নজরুল। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতা ছিল অনন্য।
মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসার ক্ষেত্রে নজরুলকে অন্যতম দিশারি আখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সাহিত্য, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও সংগ্রাম তাঁর সৃষ্টিকর্মে প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে। অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নজরুল আজও জাতির প্রধান প্রেরণা।
তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে জুলাই গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত দেশের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে নজরুলের কবিতা ও গান মানুষকে সাহস ও অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে। মাত্র দুই দশকের সাহিত্যসাধনায় তিনি জাতিকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছেন এবং জাতীয় সাহিত্য-সংস্কৃতির শক্ত ভিত নির্মাণ করেছেন।
পোস্টের শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জাতীয় কবির জন্মদিনে আমরা অন্যায়, অবিচার, ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও বিভেদের গ্লানি মুছে ফেলে সবার আগে বাংলাদেশকে ধারণ করে সুখী-সমৃদ্ধ গণতান্ত্রিক মাতৃভূমি গঠনে নিজেদের নিবেদিত করার প্রত্যয় গ্রহণ করি।”

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, “বাংলাদেশ ও কাজী নজরুল ইসলাম এক অবিভাজ্য সত্তা।”
সোমবার (২৩ মে) বিকেলে নিজের ফেসবুক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের জনগণের পরম প্রিয়জন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকীতে তাঁর চির-অম্লান স্মৃতির প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। তাকে স্মরণ করছি অনিঃশেষ কৃতজ্ঞতার সঙ্গে। কামনা করি তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত।”
তিনি বলেন, দেশের ইতিহাসে নজরুলের আবির্ভাব ছিল “আলোকবর্তিকা” ও “দিকনির্দেশক বাতিঘরের” মতো। পরাধীন ও নিপীড়িত জাতিকে জাগিয়ে তুলতে যে অসাধারণ প্রতিভার প্রয়োজন ছিল, নজরুল ছিলেন সেই প্রত্যাশিত কণ্ঠস্বর।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, নজরুলের জীবন ছিল অন্যায়, শোষণ, বৈষম্য, সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মীয় গোঁড়ামির বিরুদ্ধে এক অবিরাম বিদ্রোহ। একই সঙ্গে মানবতা, স্বাধীনতা, নারীমুক্তি ও শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে তাঁর অবস্থান ছিল স্পষ্ট ও আপসহীন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, উপমহাদেশে পূর্ণ স্বাধীনতার দাবি তোলা প্রথম কবি, সাংবাদিক ও রাজনীতিকদের একজন ছিলেন নজরুল। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতা ছিল অনন্য।
মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসার ক্ষেত্রে নজরুলকে অন্যতম দিশারি আখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সাহিত্য, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও সংগ্রাম তাঁর সৃষ্টিকর্মে প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে। অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নজরুল আজও জাতির প্রধান প্রেরণা।
তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে জুলাই গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত দেশের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে নজরুলের কবিতা ও গান মানুষকে সাহস ও অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে। মাত্র দুই দশকের সাহিত্যসাধনায় তিনি জাতিকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছেন এবং জাতীয় সাহিত্য-সংস্কৃতির শক্ত ভিত নির্মাণ করেছেন।
পোস্টের শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জাতীয় কবির জন্মদিনে আমরা অন্যায়, অবিচার, ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও বিভেদের গ্লানি মুছে ফেলে সবার আগে বাংলাদেশকে ধারণ করে সুখী-সমৃদ্ধ গণতান্ত্রিক মাতৃভূমি গঠনে নিজেদের নিবেদিত করার প্রত্যয় গ্রহণ করি।”

আপনার মতামত লিখুন