রাজধানীর উত্তরা এলাকায় এক গার্মেন্টস ব্যবসায়ীর বাসভবন লক্ষ্য করে ফের গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এক মাসের ব্যবধানে একই বাড়িতে দ্বিতীয়বার এমন হামলায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার (২২ মে) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরে একে এস গ্রুপের মালিক আবুল কাশেমের বাসার প্রধান ফটকে তিন রাউন্ড গুলি ছোড়ে দুর্বৃত্তরা। ঘটনার পর মোটরসাইকেলে করে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে তারা।
এর আগে গত ১০ মার্চ একই বাসা লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় একটি মামলা করা হলে তদন্তের দায়িত্ব নেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, হামলার সময় ব্যবসায়ী আবুল কাশেম ঢাকার বাইরে ছিলেন, তবে পরিবারের সদস্যরা বাসায় অবস্থান করছিলেন। তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিনটি গুলির খোসা উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে এই হামলা হয়ে থাকতে পারে। তবে এখনো হামলাকারীদের শনাক্ত করা যায়নি।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগের ঘটনার মামলার পাশাপাশি সর্বশেষ ঘটনার বিষয়টিও গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। দুই ঘটনার মধ্যে কোনো যোগসূত্র আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬
রাজধানীর উত্তরা এলাকায় এক গার্মেন্টস ব্যবসায়ীর বাসভবন লক্ষ্য করে ফের গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এক মাসের ব্যবধানে একই বাড়িতে দ্বিতীয়বার এমন হামলায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার (২২ মে) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরে একে এস গ্রুপের মালিক আবুল কাশেমের বাসার প্রধান ফটকে তিন রাউন্ড গুলি ছোড়ে দুর্বৃত্তরা। ঘটনার পর মোটরসাইকেলে করে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে তারা।
এর আগে গত ১০ মার্চ একই বাসা লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় একটি মামলা করা হলে তদন্তের দায়িত্ব নেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, হামলার সময় ব্যবসায়ী আবুল কাশেম ঢাকার বাইরে ছিলেন, তবে পরিবারের সদস্যরা বাসায় অবস্থান করছিলেন। তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিনটি গুলির খোসা উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে এই হামলা হয়ে থাকতে পারে। তবে এখনো হামলাকারীদের শনাক্ত করা যায়নি।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগের ঘটনার মামলার পাশাপাশি সর্বশেষ ঘটনার বিষয়টিও গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। দুই ঘটনার মধ্যে কোনো যোগসূত্র আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন