কালশী এলাকায় পরিচালিত উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। অভিযানের সময় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে দুই সাংবাদিক হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি নিয়ে গণমাধ্যমকর্মী ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা চলছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকরা ছবি ও ভিডিও ধারণের চেষ্টা করলে বাধার মুখে পড়েন। অভিযোগ রয়েছে, পরিচয় দেওয়ার পরও দুই সাংবাদিককে ধাক্কাধাক্কি ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা জানান, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তারা হামলার শিকার হয়েছেন এবং তাদের কাজে বাধা দেওয়া হয়েছে। ঘটনার পর বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই সংবাদকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি তুলেছেন। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
কালশী এলাকায় পরিচালিত উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। অভিযানের সময় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে দুই সাংবাদিক হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি নিয়ে গণমাধ্যমকর্মী ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা চলছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকরা ছবি ও ভিডিও ধারণের চেষ্টা করলে বাধার মুখে পড়েন। অভিযোগ রয়েছে, পরিচয় দেওয়ার পরও দুই সাংবাদিককে ধাক্কাধাক্কি ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা জানান, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তারা হামলার শিকার হয়েছেন এবং তাদের কাজে বাধা দেওয়া হয়েছে। ঘটনার পর বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই সংবাদকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি তুলেছেন। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন