চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় দুই স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) রাতে উপজেলার ছদাহা ইউনিয়নের পূর্ব ছদাহা শহিদের নল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে চার অভিযুক্তকে আটক করেছে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় জড়িত আরও তিনজন এখনো পলাতক রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী দুই কিশোরীর একজন নবম শ্রেণির ১৬ বছর বয়সী এবং অপরজন অষ্টম শ্রেণির ১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থী। বুধবার রাতে তারা স্থানীয় এলাকায় অবস্থানকালে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাতকানিয়া থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় অভিযুক্ত সাতজনের মধ্যে চারজনকে আটক করা হয়। পুলিশের দাবি, বাকি তিনজনকে গ্রেপ্তারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানান, দুই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশি তৎপরতা শুরু করা হয়। ইতোমধ্যে চারজনকে আটক করা হয়েছে এবং অন্যদের ধরতে বিশেষ অভিযান চলছে।
তিনি আরও জানান, ভুক্তভোগী দুই কিশোরীকে উদ্ধার করে থানার হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হবে। তদন্তের স্বার্থে আটক ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না।
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং ঘটনার পেছনের বিস্তারিত কারণ ও সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
এদিকে ঘটনার পর এলাকায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। এই ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় দুই স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) রাতে উপজেলার ছদাহা ইউনিয়নের পূর্ব ছদাহা শহিদের নল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে চার অভিযুক্তকে আটক করেছে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় জড়িত আরও তিনজন এখনো পলাতক রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী দুই কিশোরীর একজন নবম শ্রেণির ১৬ বছর বয়সী এবং অপরজন অষ্টম শ্রেণির ১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থী। বুধবার রাতে তারা স্থানীয় এলাকায় অবস্থানকালে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাতকানিয়া থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় অভিযুক্ত সাতজনের মধ্যে চারজনকে আটক করা হয়। পুলিশের দাবি, বাকি তিনজনকে গ্রেপ্তারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানান, দুই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশি তৎপরতা শুরু করা হয়। ইতোমধ্যে চারজনকে আটক করা হয়েছে এবং অন্যদের ধরতে বিশেষ অভিযান চলছে।
তিনি আরও জানান, ভুক্তভোগী দুই কিশোরীকে উদ্ধার করে থানার হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হবে। তদন্তের স্বার্থে আটক ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না।
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং ঘটনার পেছনের বিস্তারিত কারণ ও সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
এদিকে ঘটনার পর এলাকায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। এই ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

আপনার মতামত লিখুন