বাকিতে নেওয়া পণ্যের টাকা পরিশোধ না করাকে কেন্দ্র করে শ্রীপুরের একটি দোকানে হামলা, ভাঙচুর ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১২ মে) রাত ৯টার দিকে উপজেলার মুলাইদ গ্রামের হাজী কাছম আলী ফকির সুপার মার্কেটে ‘নিউ জামালপুর গ্লাস এন্ড থাই অ্যালুমিনিয়াম ফেক্সিকেটর’ নামের দোকানে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন মার্কেট মালিক হাজী কাছম আলী ফকিরের ছেলে কামাল ফকির, তার ভাগিনা সিয়াম, দোকানের ব্যবস্থাপক শাহিন এবং কর্মচারী শান্ত ও শ্যামল।
অভিযুক্ত হিসেবে কেওয়া গ্রামের রানা ভান্ডারি ও তার ভাই মামুন-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
দোকান মালিক ফয়সাল আহমেদ জানান, রানা ভান্ডারি আগে থেকেই তার দোকান থেকে মালামাল কিনতেন এবং তার কাছে কিছু টাকা বকেয়া ছিল। গত ৯ মে তিনি ৭২ হাজার টাকার থাই মালামাল কিনে ৩০ হাজার টাকা পরিশোধ করেন। বাকি ৪২ হাজার টাকা মঙ্গলবার পরিশোধ করার কথা ছিল।
মঙ্গলবার বিকেলে মালামাল নিতে এসে বাকি টাকা চাওয়া হলে রানা ভান্ডারি উত্তেজিত হয়ে দোকানের কর্মচারী শ্যামলকে মারধর করেন। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি সাময়িকভাবে মীমাংসা করেন।
তবে রাতে রানা ও তার ভাইয়ের নেতৃত্বে ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি দল দোকানে হামলা চালায়। তারা ভাঙচুর ও লুটপাট করে বলে অভিযোগ রয়েছে। বাধা দিতে গেলে আরও কয়েকজন আহত হন।
একপর্যায়ে দোকান মালিক ফয়সাল আহমেদকে লক্ষ্য করে তিন রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। তবে গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাছির আহমেদ জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
বাকিতে নেওয়া পণ্যের টাকা পরিশোধ না করাকে কেন্দ্র করে শ্রীপুরের একটি দোকানে হামলা, ভাঙচুর ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১২ মে) রাত ৯টার দিকে উপজেলার মুলাইদ গ্রামের হাজী কাছম আলী ফকির সুপার মার্কেটে ‘নিউ জামালপুর গ্লাস এন্ড থাই অ্যালুমিনিয়াম ফেক্সিকেটর’ নামের দোকানে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন মার্কেট মালিক হাজী কাছম আলী ফকিরের ছেলে কামাল ফকির, তার ভাগিনা সিয়াম, দোকানের ব্যবস্থাপক শাহিন এবং কর্মচারী শান্ত ও শ্যামল।
অভিযুক্ত হিসেবে কেওয়া গ্রামের রানা ভান্ডারি ও তার ভাই মামুন-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
দোকান মালিক ফয়সাল আহমেদ জানান, রানা ভান্ডারি আগে থেকেই তার দোকান থেকে মালামাল কিনতেন এবং তার কাছে কিছু টাকা বকেয়া ছিল। গত ৯ মে তিনি ৭২ হাজার টাকার থাই মালামাল কিনে ৩০ হাজার টাকা পরিশোধ করেন। বাকি ৪২ হাজার টাকা মঙ্গলবার পরিশোধ করার কথা ছিল।
মঙ্গলবার বিকেলে মালামাল নিতে এসে বাকি টাকা চাওয়া হলে রানা ভান্ডারি উত্তেজিত হয়ে দোকানের কর্মচারী শ্যামলকে মারধর করেন। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি সাময়িকভাবে মীমাংসা করেন।
তবে রাতে রানা ও তার ভাইয়ের নেতৃত্বে ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি দল দোকানে হামলা চালায়। তারা ভাঙচুর ও লুটপাট করে বলে অভিযোগ রয়েছে। বাধা দিতে গেলে আরও কয়েকজন আহত হন।
একপর্যায়ে দোকান মালিক ফয়সাল আহমেদকে লক্ষ্য করে তিন রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। তবে গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাছির আহমেদ জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন