ফেনী ও পঞ্চগড় জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে সদ্য দায়িত্ব পাওয়া দুই কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করেছে পুলিশ সদর দপ্তর। তারা হলেন মোহাম্মদ মাহবুব আলম খান এবং মো. মিজানুর রহমান। পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার পুলিশ সদর দপ্তর, বাংলাদেশ থেকে জারি করা পৃথক আদেশে তাদের প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্দেশ অনুযায়ী দুই কর্মকর্তাকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সদর দপ্তরে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে। এর আগে চলতি মাসে ১২ জেলার পুলিশ সুপার পদে রদবদল করা হলে মাহবুব আলম খানকে ফেনী জেলার এসপি এবং মিজানুর রহমানকে পঞ্চগড় জেলার এসপি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছিল। তবে নিয়োগের পরপরই তাদের নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক তৈরি হয়। মাহবুব আলম খানের বিরুদ্ধে অতীত কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনা এবং একটি হত্যা মামলায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে নিয়োগ বাতিল চেয়ে আদালতে রিটও করা হয়। অন্যদিকে মো. মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে পূর্বে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের তথ্য সামনে আসে। ২০২২ সালে সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তার বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি এক বছর স্থগিত করা হয়েছিল বলে জানা যায়। এছাড়া অতীতে তার বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও দুর্নীতির অভিযোগ থাকায় নতুন করে তাকে এসপি পদে নিয়োগ নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। বিতর্কের পরিপ্রেক্ষিতেই দুই কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
ফেনী ও পঞ্চগড় জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে সদ্য দায়িত্ব পাওয়া দুই কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করেছে পুলিশ সদর দপ্তর। তারা হলেন মোহাম্মদ মাহবুব আলম খান এবং মো. মিজানুর রহমান। পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার পুলিশ সদর দপ্তর, বাংলাদেশ থেকে জারি করা পৃথক আদেশে তাদের প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্দেশ অনুযায়ী দুই কর্মকর্তাকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সদর দপ্তরে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে। এর আগে চলতি মাসে ১২ জেলার পুলিশ সুপার পদে রদবদল করা হলে মাহবুব আলম খানকে ফেনী জেলার এসপি এবং মিজানুর রহমানকে পঞ্চগড় জেলার এসপি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছিল। তবে নিয়োগের পরপরই তাদের নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক তৈরি হয়। মাহবুব আলম খানের বিরুদ্ধে অতীত কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনা এবং একটি হত্যা মামলায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে নিয়োগ বাতিল চেয়ে আদালতে রিটও করা হয়। অন্যদিকে মো. মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে পূর্বে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের তথ্য সামনে আসে। ২০২২ সালে সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তার বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি এক বছর স্থগিত করা হয়েছিল বলে জানা যায়। এছাড়া অতীতে তার বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও দুর্নীতির অভিযোগ থাকায় নতুন করে তাকে এসপি পদে নিয়োগ নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। বিতর্কের পরিপ্রেক্ষিতেই দুই কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।

আপনার মতামত লিখুন