দেশের তৈরি পোশাক খাতে ধারাবাহিকভাবে কারখানা বন্ধ হওয়ার আশঙ্কার মধ্যে চালু শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো সচল রাখতে সরকারের জরুরি নীতিগত সহায়তা চেয়েছেন উদ্যোক্তারা। সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর শীর্ষ নেতারা তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়কালে এ দাবি জানান।
মাহমুদ হাসান খান বাবু এবং মোহাম্মদ হাতেমর নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল বৈঠকে অংশ নেয়। তারা বন্ধ কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ, এলডিসি উত্তরণ পিছিয়ে দেওয়ার পদক্ষেপ এবং শ্রম আইন জাতীয় সংসদে পাসের আগে সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
বৈঠকে উদ্যোক্তারা বলেন, ব্যাংক ঋণের চাপ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)–সংক্রান্ত জটিলতা, জ্বালানি সংকট এবং বৈশ্বিক বাজারের অনিশ্চয়তার কারণে চালু কারখানাগুলোও চাপে রয়েছে। এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে আরও কারখানা বন্ধ হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
আলোচনায় তারেক রহমান রপ্তানি বহুমুখীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, প্রচলিত পোশাকপণ্যের ওপর নির্ভরতা দীর্ঘমেয়াদে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য যথেষ্ট নয়। এ সময় সিল্ক খাত, ম্যানমেইড ফাইবারভিত্তিক পণ্য এবং নতুন রপ্তানি খাতের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর বিষয়েও আলোচনা হয়।
তিনি উদ্যোক্তাদের এসব খাতে বিনিয়োগে উৎসাহ দেন এবং প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তার আশ্বাস দেন। বৈঠকে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আ ন ম এহছানুল হক মিলন, মাহদী আমিন ও এ বি এম আব্দুস সাত্তারসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
দেশের তৈরি পোশাক খাতে ধারাবাহিকভাবে কারখানা বন্ধ হওয়ার আশঙ্কার মধ্যে চালু শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো সচল রাখতে সরকারের জরুরি নীতিগত সহায়তা চেয়েছেন উদ্যোক্তারা। সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর শীর্ষ নেতারা তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়কালে এ দাবি জানান।
মাহমুদ হাসান খান বাবু এবং মোহাম্মদ হাতেমর নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল বৈঠকে অংশ নেয়। তারা বন্ধ কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ, এলডিসি উত্তরণ পিছিয়ে দেওয়ার পদক্ষেপ এবং শ্রম আইন জাতীয় সংসদে পাসের আগে সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
বৈঠকে উদ্যোক্তারা বলেন, ব্যাংক ঋণের চাপ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)–সংক্রান্ত জটিলতা, জ্বালানি সংকট এবং বৈশ্বিক বাজারের অনিশ্চয়তার কারণে চালু কারখানাগুলোও চাপে রয়েছে। এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে আরও কারখানা বন্ধ হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
আলোচনায় তারেক রহমান রপ্তানি বহুমুখীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, প্রচলিত পোশাকপণ্যের ওপর নির্ভরতা দীর্ঘমেয়াদে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য যথেষ্ট নয়। এ সময় সিল্ক খাত, ম্যানমেইড ফাইবারভিত্তিক পণ্য এবং নতুন রপ্তানি খাতের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর বিষয়েও আলোচনা হয়।
তিনি উদ্যোক্তাদের এসব খাতে বিনিয়োগে উৎসাহ দেন এবং প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তার আশ্বাস দেন। বৈঠকে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আ ন ম এহছানুল হক মিলন, মাহদী আমিন ও এ বি এম আব্দুস সাত্তারসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন