বাংলাদেশে গৃহশ্রমিকদের আইনি স্বীকৃতি, ন্যায্য মজুরি ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি আবারও জোরালোভাবে উঠেছে। আজ রাজধানীতে শ্রম অধিকারকর্মী ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও কর্মসূচিতে এ দাবি জানানো হয়।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, গৃহশ্রমিকরা দেশের শহুরে জীবনযাত্রা সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও তারা এখনো শ্রম আইনের পূর্ণাঙ্গ সুরক্ষার বাইরে রয়েছেন। ফলে ন্যায্য মজুরি, নির্ধারিত কর্মঘণ্টা, ছুটি এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ থেকে তারা অনেক ক্ষেত্রেই বঞ্চিত হচ্ছেন।
বক্তারা গৃহশ্রমিকদের জন্য পৃথক আইন প্রণয়ন অথবা বিদ্যমান শ্রম আইনে তাদের স্পষ্ট অন্তর্ভুক্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ, কাজের সময়সীমা নির্ধারণ, অতিরিক্ত কাজের জন্য অতিরিক্ত পারিশ্রমিক, মাতৃত্বকালীন ছুটি, স্বাস্থ্যসেবা এবং দুর্ঘটনা বীমা চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এছাড়া গৃহশ্রমিকদের সরকারি নিবন্ধনের আওতায় এনে একটি জাতীয় ডাটাবেজ তৈরি, নিয়োগপত্র বাধ্যতামূলক করা এবং নির্যাতন ও হয়রানি প্রতিরোধে কার্যকর অভিযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানানো হয়।
শ্রম অধিকারকর্মীরা বলেন, গৃহশ্রমিকরা এখনো অনেক ক্ষেত্রে “অদৃশ্য শ্রমশক্তি” হিসেবে রয়ে গেছেন। নিয়োগপত্র না থাকা, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা, এবং নিরাপত্তাহীনতা তাদের প্রধান সমস্যা হিসেবে দেখা দিচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে নির্যাতনের শিকার হলেও ভয়ে বা সচেতনতার অভাবে তারা অভিযোগ করতে পারেন না।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শুধু আইন প্রণয়ন করলেই হবে না, বরং এর কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা জরুরি। তারা বলেন, গৃহশ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র, নিয়োগদাতা ও সমাজ—সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
আলোচনা শেষে বক্তারা গৃহশ্রমিকদের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
বাংলাদেশে গৃহশ্রমিকদের আইনি স্বীকৃতি, ন্যায্য মজুরি ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি আবারও জোরালোভাবে উঠেছে। আজ রাজধানীতে শ্রম অধিকারকর্মী ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও কর্মসূচিতে এ দাবি জানানো হয়।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, গৃহশ্রমিকরা দেশের শহুরে জীবনযাত্রা সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও তারা এখনো শ্রম আইনের পূর্ণাঙ্গ সুরক্ষার বাইরে রয়েছেন। ফলে ন্যায্য মজুরি, নির্ধারিত কর্মঘণ্টা, ছুটি এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ থেকে তারা অনেক ক্ষেত্রেই বঞ্চিত হচ্ছেন।
বক্তারা গৃহশ্রমিকদের জন্য পৃথক আইন প্রণয়ন অথবা বিদ্যমান শ্রম আইনে তাদের স্পষ্ট অন্তর্ভুক্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ, কাজের সময়সীমা নির্ধারণ, অতিরিক্ত কাজের জন্য অতিরিক্ত পারিশ্রমিক, মাতৃত্বকালীন ছুটি, স্বাস্থ্যসেবা এবং দুর্ঘটনা বীমা চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এছাড়া গৃহশ্রমিকদের সরকারি নিবন্ধনের আওতায় এনে একটি জাতীয় ডাটাবেজ তৈরি, নিয়োগপত্র বাধ্যতামূলক করা এবং নির্যাতন ও হয়রানি প্রতিরোধে কার্যকর অভিযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানানো হয়।
শ্রম অধিকারকর্মীরা বলেন, গৃহশ্রমিকরা এখনো অনেক ক্ষেত্রে “অদৃশ্য শ্রমশক্তি” হিসেবে রয়ে গেছেন। নিয়োগপত্র না থাকা, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা, এবং নিরাপত্তাহীনতা তাদের প্রধান সমস্যা হিসেবে দেখা দিচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে নির্যাতনের শিকার হলেও ভয়ে বা সচেতনতার অভাবে তারা অভিযোগ করতে পারেন না।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শুধু আইন প্রণয়ন করলেই হবে না, বরং এর কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা জরুরি। তারা বলেন, গৃহশ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র, নিয়োগদাতা ও সমাজ—সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
আলোচনা শেষে বক্তারা গৃহশ্রমিকদের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন