একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট নিয়ন্ত্রণে নিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে Criminal Investigation Department Bangladesh–এর সাইবার পুলিশ সেন্টার।
গ্রেপ্তার ব্যক্তি Rihad Hasan (২৩)। সোমবার গভীর রাতে Jhenaidah Sadar–এর নৃসিংহপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। তিনি গড়িয়াল গ্রামের বাসিন্দা।
তদন্তকারীরা জানান, তার মোবাইল ফোন তল্লাশি করে প্রায় ৪০টি অবৈধ অনলাইন জুয়ার অ্যাপের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন, জুয়ার জন্য অর্থ জোগাড় করতে বিভিন্ন ব্যক্তির হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট দখলে নিয়ে প্রতারণা করতেন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, এক বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা কর্মস্থলে থাকা অবস্থায় উপাচার্যের পরিচয়ে একটি বার্তা পান। সেখানে জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত দুটি মোবাইল আর্থিক সেবার নম্বরে টাকা পাঠাতে বলা হয়। সন্দেহ হওয়ায় তিনি ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে প্রতারক কল ধরেননি, বরং দ্রুত টাকা পাঠাতে চাপ দেন।
একপর্যায়ে ওই কর্মকর্তা ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাব থেকে ৫৫ হাজার টাকা পাঠান। পরে উপাচার্যের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করলে তিনি জানান, তার হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয়েছিল এবং তিনি কোনো অর্থ চেয়ে বার্তা পাঠাননি। তখন প্রতারণার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।
ঘটনায় Tejgaon Industrial Area Police Station-এ মামলা করা হয়েছে। প্রযুক্তিগত অনুসন্ধানের মাধ্যমে অভিযুক্তকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়। চক্রের অন্য সদস্যদের খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট নিয়ন্ত্রণে নিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে Criminal Investigation Department Bangladesh–এর সাইবার পুলিশ সেন্টার।
গ্রেপ্তার ব্যক্তি Rihad Hasan (২৩)। সোমবার গভীর রাতে Jhenaidah Sadar–এর নৃসিংহপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। তিনি গড়িয়াল গ্রামের বাসিন্দা।
তদন্তকারীরা জানান, তার মোবাইল ফোন তল্লাশি করে প্রায় ৪০টি অবৈধ অনলাইন জুয়ার অ্যাপের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন, জুয়ার জন্য অর্থ জোগাড় করতে বিভিন্ন ব্যক্তির হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট দখলে নিয়ে প্রতারণা করতেন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, এক বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা কর্মস্থলে থাকা অবস্থায় উপাচার্যের পরিচয়ে একটি বার্তা পান। সেখানে জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত দুটি মোবাইল আর্থিক সেবার নম্বরে টাকা পাঠাতে বলা হয়। সন্দেহ হওয়ায় তিনি ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে প্রতারক কল ধরেননি, বরং দ্রুত টাকা পাঠাতে চাপ দেন।
একপর্যায়ে ওই কর্মকর্তা ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাব থেকে ৫৫ হাজার টাকা পাঠান। পরে উপাচার্যের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করলে তিনি জানান, তার হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয়েছিল এবং তিনি কোনো অর্থ চেয়ে বার্তা পাঠাননি। তখন প্রতারণার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।
ঘটনায় Tejgaon Industrial Area Police Station-এ মামলা করা হয়েছে। প্রযুক্তিগত অনুসন্ধানের মাধ্যমে অভিযুক্তকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়। চক্রের অন্য সদস্যদের খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে।

আপনার মতামত লিখুন