খাগড়াছড়ির মাটিরাঙা উপজেলা-এর ২নং তবলছড়ি ইউনিয়ন-এ সরকারি অনুদান বিতরণকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও আলোচনা বাড়িয়ে তুলেছে। হতদরিদ্র মানুষের জন্য বরাদ্দ অর্থ ও ১০ কেজি চাল সুষ্ঠুভাবে বণ্টন হচ্ছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসীর একাংশ।
বর্তমানে ইউনিয়নে কোনো নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও সদস্য না থাকায় প্রশাসনিক দায়িত্ব ইউপি সচিব বা ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তার ওপর ন্যস্ত রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে অনুদান বিতরণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি আরও জোরালো হয়ে উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে সরকারি সহায়তা পৌঁছানো নিয়ে নানা ধরনের অভিযোগ ঘুরপাক খাচ্ছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, সাম্প্রতিক সময়ে অনুদান বিতরণে অনিয়ম দেখা গেছে এবং ইউনিয়ন পরিষদকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতিও সৃষ্টি হয়েছে। একাধিক ক্ষেত্রে সংঘর্ষ ও হামলার খবর পাওয়া গেছে। এমনকি কিছু গণমাধ্যমকর্মীর সঙ্গে স্থানীয়দের হাতাহাতির ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা যায়। পাশাপাশি, পুরো প্রক্রিয়ায় প্রভাবশালী মহলের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও উঠেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বাসিন্দা জানান, বর্তমান প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা। তাদের ভাষ্য, কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়, বরং প্রকৃত যোগ্যতার ভিত্তিতে অনুদান বিতরণ হওয়া উচিত।
তারা আরও বলেন, যেহেতু বর্তমানে কোনো নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি দায়িত্বে নেই, তাই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আরও সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা প্রয়োজন। এতে করে প্রকৃত উপকারভোগীরা যেন বঞ্চিত না হন, সেই নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব হবে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে প্রশাসনিক সূত্রে জানানো হয়েছে, সরকারি বরাদ্দ বণ্টনে নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করা হয় এবং কোনো অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করছেন, এ ধরনের সংবেদনশীল ইস্যুতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি হতে পারে। তারা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
সব মিলিয়ে, তবলছড়ি ইউনিয়নে সরকারি অনুদান বিতরণ নিয়ে ওঠা এসব অভিযোগ এখন স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, ন্যায্যতা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হবে এবং ভবিষ্যতে প্রকৃত উপকারভোগীরা তাদের প্রাপ্য সহায়তা নিশ্চিতভাবে পাবেন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙা উপজেলা-এর ২নং তবলছড়ি ইউনিয়ন-এ সরকারি অনুদান বিতরণকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও আলোচনা বাড়িয়ে তুলেছে। হতদরিদ্র মানুষের জন্য বরাদ্দ অর্থ ও ১০ কেজি চাল সুষ্ঠুভাবে বণ্টন হচ্ছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসীর একাংশ।
বর্তমানে ইউনিয়নে কোনো নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও সদস্য না থাকায় প্রশাসনিক দায়িত্ব ইউপি সচিব বা ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তার ওপর ন্যস্ত রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে অনুদান বিতরণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি আরও জোরালো হয়ে উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে সরকারি সহায়তা পৌঁছানো নিয়ে নানা ধরনের অভিযোগ ঘুরপাক খাচ্ছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, সাম্প্রতিক সময়ে অনুদান বিতরণে অনিয়ম দেখা গেছে এবং ইউনিয়ন পরিষদকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতিও সৃষ্টি হয়েছে। একাধিক ক্ষেত্রে সংঘর্ষ ও হামলার খবর পাওয়া গেছে। এমনকি কিছু গণমাধ্যমকর্মীর সঙ্গে স্থানীয়দের হাতাহাতির ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা যায়। পাশাপাশি, পুরো প্রক্রিয়ায় প্রভাবশালী মহলের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও উঠেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বাসিন্দা জানান, বর্তমান প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা। তাদের ভাষ্য, কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়, বরং প্রকৃত যোগ্যতার ভিত্তিতে অনুদান বিতরণ হওয়া উচিত।
তারা আরও বলেন, যেহেতু বর্তমানে কোনো নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি দায়িত্বে নেই, তাই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আরও সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা প্রয়োজন। এতে করে প্রকৃত উপকারভোগীরা যেন বঞ্চিত না হন, সেই নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব হবে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে প্রশাসনিক সূত্রে জানানো হয়েছে, সরকারি বরাদ্দ বণ্টনে নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করা হয় এবং কোনো অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করছেন, এ ধরনের সংবেদনশীল ইস্যুতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি হতে পারে। তারা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
সব মিলিয়ে, তবলছড়ি ইউনিয়নে সরকারি অনুদান বিতরণ নিয়ে ওঠা এসব অভিযোগ এখন স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, ন্যায্যতা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হবে এবং ভবিষ্যতে প্রকৃত উপকারভোগীরা তাদের প্রাপ্য সহায়তা নিশ্চিতভাবে পাবেন।

আপনার মতামত লিখুন