পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার ৮নং দণ্ডপাল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আজগর আলী এবং ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) মো. ময়নুল হকের বিরুদ্ধে পরিষদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখার সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ সোহেল রানার স্বাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়, গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে একটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।
তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার যোগসাজশে ৭৫ হাজার টাকা আদায় ও আত্মসাৎ করা হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ এবং প্রযোজ্য কর্মচারী বিধিমালার আওতায় কেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে তারা ব্যক্তিগত শুনানিতে অংশ নিতে ইচ্ছুক কিনা তাও উল্লেখ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের অক্টোবরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ইউপি চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার অনিয়ম সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হয়। এতে বলা হয়, দণ্ডপাল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আজগর আলী ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. ময়নুল হক বিভিন্ন খাত থেকে আদায়কৃত রাজস্বের একটি অংশ সরকারি হিসাবে যথাযথভাবে জমা দেননি।
এর মধ্যে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন, ইটভাটা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে আদায়কৃত অর্থে অনিয়মের অভিযোগ উঠে। এছাড়া নির্ধারিত হারের চেয়ে বেশি অর্থ আদায় করা হলেও রশিদে কম অঙ্ক উল্লেখ করে ইউনিয়ন পরিষদের প্রকৃত আয় ও হিসাবের মধ্যে অসঙ্গতি তৈরি হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার ৮নং দণ্ডপাল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আজগর আলী এবং ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) মো. ময়নুল হকের বিরুদ্ধে পরিষদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখার সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ সোহেল রানার স্বাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়, গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে একটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।
তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার যোগসাজশে ৭৫ হাজার টাকা আদায় ও আত্মসাৎ করা হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ এবং প্রযোজ্য কর্মচারী বিধিমালার আওতায় কেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে তারা ব্যক্তিগত শুনানিতে অংশ নিতে ইচ্ছুক কিনা তাও উল্লেখ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের অক্টোবরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ইউপি চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার অনিয়ম সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হয়। এতে বলা হয়, দণ্ডপাল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আজগর আলী ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. ময়নুল হক বিভিন্ন খাত থেকে আদায়কৃত রাজস্বের একটি অংশ সরকারি হিসাবে যথাযথভাবে জমা দেননি।
এর মধ্যে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন, ইটভাটা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে আদায়কৃত অর্থে অনিয়মের অভিযোগ উঠে। এছাড়া নির্ধারিত হারের চেয়ে বেশি অর্থ আদায় করা হলেও রশিদে কম অঙ্ক উল্লেখ করে ইউনিয়ন পরিষদের প্রকৃত আয় ও হিসাবের মধ্যে অসঙ্গতি তৈরি হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন