নওগাঁর মান্দা উপজেলায় জমি জবরদখল করে পুকুর খননের অভিযোগ উঠেছে। এতে ভুক্তভোগীর বসতবাড়ি হুমকির মুখে পড়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনাটি উপজেলার ভাঁরশো ইউনিয়নের পাকুরিয়া নিচপাড়া গ্রামে ঘটেছে।
এ ঘটনায় ওই গ্রামের মৃত ফারাতুল্লাহর ছেলে আনিছুর রহমান মান্দা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, একই গ্রামের মৃত ফারাতুল্লাহর অপর দুই ছেলে মইনুল ইসলাম ও আয়নাল হোসেন আনিছুর রহমানের কবলাকৃত ও ভোগদখলীয় জমি জবরদখল করে সেখানে পুকুর খনন শুরু করেন। খননস্থলের ঠিক পাশেই অবস্থিত আনিছুর রহমানের একমাত্র বসতবাড়ি থাকায় সেটি এখন মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
ভুক্তভোগী আনিছুর রহমান বলেন, “আমার নিজস্ব সম্পত্তিতে আমাকে কিছু না জানিয়েই জোরপূর্বক পুকুর খনন করা হচ্ছে। এতে আমার একমাত্র বসতবাড়ি ধসে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আমি দ্রুত এই কাজ বন্ধ করে আমার জমি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের কাছে দাবি জানাচ্ছি।”
অভিযুক্ত মইনুল ইসলাম ও আয়নাল হোসেন দাবি করেন, আনিছুর রহমান তাদের বড় ভাই। তাকে না জানিয়েই পুকুর খননের কাজ শুরু করা হয়েছিল। তবে এতে তার বাড়ির কোনো ক্ষতি হবে না বলে তারা মনে করেন। অভিযোগ দায়েরের পর আপাতত খননকাজ বন্ধ রাখা হয়েছে এবং পারিবারিকভাবে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান করা হবে বলেও জানান তারা।
এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাজী নজরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। আপাতত পুকুর খনন কাজ বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উভয় পক্ষকে আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির চেষ্টা করতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।
স্থানীয়রা বলছেন, দ্রুত সমাধান না হলে জমি সংক্রান্ত এ বিরোধ বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
নওগাঁর মান্দা উপজেলায় জমি জবরদখল করে পুকুর খননের অভিযোগ উঠেছে। এতে ভুক্তভোগীর বসতবাড়ি হুমকির মুখে পড়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনাটি উপজেলার ভাঁরশো ইউনিয়নের পাকুরিয়া নিচপাড়া গ্রামে ঘটেছে।
এ ঘটনায় ওই গ্রামের মৃত ফারাতুল্লাহর ছেলে আনিছুর রহমান মান্দা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, একই গ্রামের মৃত ফারাতুল্লাহর অপর দুই ছেলে মইনুল ইসলাম ও আয়নাল হোসেন আনিছুর রহমানের কবলাকৃত ও ভোগদখলীয় জমি জবরদখল করে সেখানে পুকুর খনন শুরু করেন। খননস্থলের ঠিক পাশেই অবস্থিত আনিছুর রহমানের একমাত্র বসতবাড়ি থাকায় সেটি এখন মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
ভুক্তভোগী আনিছুর রহমান বলেন, “আমার নিজস্ব সম্পত্তিতে আমাকে কিছু না জানিয়েই জোরপূর্বক পুকুর খনন করা হচ্ছে। এতে আমার একমাত্র বসতবাড়ি ধসে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আমি দ্রুত এই কাজ বন্ধ করে আমার জমি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের কাছে দাবি জানাচ্ছি।”
অভিযুক্ত মইনুল ইসলাম ও আয়নাল হোসেন দাবি করেন, আনিছুর রহমান তাদের বড় ভাই। তাকে না জানিয়েই পুকুর খননের কাজ শুরু করা হয়েছিল। তবে এতে তার বাড়ির কোনো ক্ষতি হবে না বলে তারা মনে করেন। অভিযোগ দায়েরের পর আপাতত খননকাজ বন্ধ রাখা হয়েছে এবং পারিবারিকভাবে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান করা হবে বলেও জানান তারা।
এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাজী নজরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। আপাতত পুকুর খনন কাজ বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উভয় পক্ষকে আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির চেষ্টা করতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।
স্থানীয়রা বলছেন, দ্রুত সমাধান না হলে জমি সংক্রান্ত এ বিরোধ বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন