চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় কৃষি কর্মকর্তাদের অবহেলা ও মাঠপর্যায়ে তদারকির ঘাটতির কারণে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবারগুলো চরম হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার নোয়াপাড়া মৌজার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে প্রায় ৪ একর ৪০০ শতাংশ জমিতে (স্থানীয় হিসাবে প্রায় ১০ কানি) বোরো ধান চাষ করা হয়। কৃষকদের দাবি, প্রতি কানি জমিতে প্রায় ২০ মণ ধান পাওয়ার লক্ষ্য থাকলেও এ মৌসুমে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার এক-তৃতীয়াংশও অর্জিত হবে না বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এতে কৃষকরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
কৃষকদের অভিযোগ, সময়মতো সার, বীজ ও সেচসহ সরকারি সহায়তা না পাওয়ায় এবং মাঠপর্যায়ে কৃষি বিভাগের নিয়মিত তদারকি না থাকায় উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনার অভাবে তারা উচ্চ খরচে চাষাবাদ করেও কাঙ্ক্ষিত ফলন পাচ্ছেন না।
স্থানীয় একাধিক কৃষক জানান, একটি পরিবার প্রায় ৪০০ শতাংশ জমিতে চাষাবাদ করতে গিয়ে জমি প্রস্তুতি, বীজ, সার ও শ্রমসহ প্রায় ২ লাখ টাকা ব্যয় করেছে। কিন্তু বর্তমান ফলন পরিস্থিতি অনুযায়ী তাদের প্রায় ১ থেকে ১.৫ লাখ টাকার ক্ষতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এদিকে চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা আরিফুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বক্তব্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন এবং প্রতিনিধি সাক্ষাৎ করার পরামর্শ দেন বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে ১৩ নম্বর জগন্নাথ দীঘি ইউনিয়নে দায়িত্বপ্রাপ্ত কৃষি উপ-সহকারী মো. রেজাকে সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে ইউনিয়ন পরিষদ চেম্বারে পাওয়া যায়নি বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন। স্থানীয়দের দাবি, এর আগেও একাধিক দিন তাকে অফিসে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় কৃষকদের আরও অভিযোগ, ওই কর্মকর্তা ইউনিয়নের অবৈধ ফসলি জমির মাটি কাটার একটি কমিটির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন এবং মাটি কাটার সিন্ডিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়ে একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
তবে মো. রেজা এ বিষয়ে বলেন, তিনি আমজাদ বাজার এলাকায় অবস্থান করছিলেন এবং দ্রুতই অফিসে পৌঁছাবেন, যেখানে যেতে সাধারণত ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় লাগে বলে তিনি জানান।
এ ঘটনায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা মাঠপর্যায়ে কৃষি বিভাগের কার্যকর তদারকি জোরদার করার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য জরুরি সহায়তা ও তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় কৃষি কর্মকর্তাদের অবহেলা ও মাঠপর্যায়ে তদারকির ঘাটতির কারণে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবারগুলো চরম হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার নোয়াপাড়া মৌজার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে প্রায় ৪ একর ৪০০ শতাংশ জমিতে (স্থানীয় হিসাবে প্রায় ১০ কানি) বোরো ধান চাষ করা হয়। কৃষকদের দাবি, প্রতি কানি জমিতে প্রায় ২০ মণ ধান পাওয়ার লক্ষ্য থাকলেও এ মৌসুমে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার এক-তৃতীয়াংশও অর্জিত হবে না বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এতে কৃষকরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
কৃষকদের অভিযোগ, সময়মতো সার, বীজ ও সেচসহ সরকারি সহায়তা না পাওয়ায় এবং মাঠপর্যায়ে কৃষি বিভাগের নিয়মিত তদারকি না থাকায় উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনার অভাবে তারা উচ্চ খরচে চাষাবাদ করেও কাঙ্ক্ষিত ফলন পাচ্ছেন না।
স্থানীয় একাধিক কৃষক জানান, একটি পরিবার প্রায় ৪০০ শতাংশ জমিতে চাষাবাদ করতে গিয়ে জমি প্রস্তুতি, বীজ, সার ও শ্রমসহ প্রায় ২ লাখ টাকা ব্যয় করেছে। কিন্তু বর্তমান ফলন পরিস্থিতি অনুযায়ী তাদের প্রায় ১ থেকে ১.৫ লাখ টাকার ক্ষতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এদিকে চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা আরিফুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বক্তব্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন এবং প্রতিনিধি সাক্ষাৎ করার পরামর্শ দেন বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে ১৩ নম্বর জগন্নাথ দীঘি ইউনিয়নে দায়িত্বপ্রাপ্ত কৃষি উপ-সহকারী মো. রেজাকে সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে ইউনিয়ন পরিষদ চেম্বারে পাওয়া যায়নি বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন। স্থানীয়দের দাবি, এর আগেও একাধিক দিন তাকে অফিসে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় কৃষকদের আরও অভিযোগ, ওই কর্মকর্তা ইউনিয়নের অবৈধ ফসলি জমির মাটি কাটার একটি কমিটির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন এবং মাটি কাটার সিন্ডিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়ে একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
তবে মো. রেজা এ বিষয়ে বলেন, তিনি আমজাদ বাজার এলাকায় অবস্থান করছিলেন এবং দ্রুতই অফিসে পৌঁছাবেন, যেখানে যেতে সাধারণত ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় লাগে বলে তিনি জানান।
এ ঘটনায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা মাঠপর্যায়ে কৃষি বিভাগের কার্যকর তদারকি জোরদার করার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য জরুরি সহায়তা ও তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন