বরিশাল থেকে ঢাকাগামী সাকুরা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসে ভয়াবহ ইঞ্জিন বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে মুহূর্তেই বাসটিতে আগুন ধরে যায় এবং হাইওয়েজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় প্রায় দুই ঘণ্টা সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে।
ঘটনাটি বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের একটি ব্যস্ত অংশে ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চলন্ত অবস্থায় হঠাৎ বিকট শব্দে বাসটির ইঞ্জিন বিস্ফোরিত হয়। এরপর দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়লে যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং জীবন বাঁচাতে তড়িঘড়ি করে বাস থেকে নেমে যান।
বাসের একাধিক যাত্রী জানান, বিস্ফোরণের সময় বাসের ভেতরে ধোঁয়ায় দম বন্ধ হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। অনেকেই চিৎকার করতে করতে বের হয়ে আসেন। সৌভাগ্যক্রমে বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি, তবে কয়েকজন যাত্রী হালকা আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিভে যায়। তবে ততক্ষণে বাসটির বেশিরভাগ অংশ পুড়ে যায়।
এদিকে, দুর্ঘটনার কারণে মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, ইঞ্জিনের যান্ত্রিক ত্রুটি বা অতিরিক্ত তাপের কারণে এই বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয়রা বলছেন, নিয়মিত গাড়ির ফিটনেস পরীক্ষা নিশ্চিত করা না হলে এ ধরনের দুর্ঘটনা আরও বাড়তে পারে। তারা সড়কে চলাচলকারী যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
বরিশাল থেকে ঢাকাগামী সাকুরা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসে ভয়াবহ ইঞ্জিন বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে মুহূর্তেই বাসটিতে আগুন ধরে যায় এবং হাইওয়েজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় প্রায় দুই ঘণ্টা সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে।
ঘটনাটি বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের একটি ব্যস্ত অংশে ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চলন্ত অবস্থায় হঠাৎ বিকট শব্দে বাসটির ইঞ্জিন বিস্ফোরিত হয়। এরপর দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়লে যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং জীবন বাঁচাতে তড়িঘড়ি করে বাস থেকে নেমে যান।
বাসের একাধিক যাত্রী জানান, বিস্ফোরণের সময় বাসের ভেতরে ধোঁয়ায় দম বন্ধ হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। অনেকেই চিৎকার করতে করতে বের হয়ে আসেন। সৌভাগ্যক্রমে বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি, তবে কয়েকজন যাত্রী হালকা আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিভে যায়। তবে ততক্ষণে বাসটির বেশিরভাগ অংশ পুড়ে যায়।
এদিকে, দুর্ঘটনার কারণে মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, ইঞ্জিনের যান্ত্রিক ত্রুটি বা অতিরিক্ত তাপের কারণে এই বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয়রা বলছেন, নিয়মিত গাড়ির ফিটনেস পরীক্ষা নিশ্চিত করা না হলে এ ধরনের দুর্ঘটনা আরও বাড়তে পারে। তারা সড়কে চলাচলকারী যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন